নতুন বইয়ের ঘ্রাণে মাতবে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

আর কয়েকদিন পর বিদায় নিবে ২০২৫ সাল। দরজায় কড়া নাড়ছে নতুন শিক্ষাবর্ষ-২০২৬। নতুন শ্রেণি, নতুন ক্লাসরুম আর নতুন বইয়ের গন্ধ ছড়িয়ে দিতে ইতোমধ্যে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পাঠানো হচ্ছে নতুন বই। ফলে আসছে ১ জানুয়ারি নতুন বইয়ের ঘ্রাণে মাতবে প্রাথমিকের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) ঈশ্বরগঞ্জ পৌর শহরের চরনিখলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে নতুন বই বিতরণের দৃশ্য দেখা গেছে।

মঙ্গলবার সরেজমিনে চরনিখলা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের দেওয়া চাহিদা অনুযায়ী নতুন বই বোঝে নিচ্ছেন। শিক্ষকদের কেউ বই গুণছেন। কেউ নতুন বই বস্তাবন্দী করে গাড়ি দিয়ে স্কুলের পথে রওনা হয়েছেন।  
 
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১৪০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩০ হাজার ২১৮ জন শিক্ষার্থী আছে। এই শিক্ষার্থীদের বিপরীতে বই এসেছে ২ লাখ ১ হাজার ৫ শত ৭টি। যা চাহিদার শতভাগ। মঙ্গলবার থেকে স্কুলে স্কুলে নতুন বই বিতরণ শুরু করা হয়েছে। এদিন উপজেলার আঠারবাড়ি, মাইজবাগ ও চরনিখলা ক্লাস্টারের আওতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বই বিতরণ করা হয়। পর্যায়ক্রমে পহেলা জানুয়ারির আগেই উপজেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন বই পৌঁছে যাবে।  

মঙ্গলবার প্রথম ধাপে প্রাথমিকের নতুন বই বিতরণের দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুব্রত বিশ্বাস, আশরাফুল হক, মো. ইকবাল হোসেন, রিপন সরকার। তারা জানান, ১ জানুয়ারি সকল স্কুলের শিক্ষার্থীরা হাতে হাতে নতুন বই পাবে। 

বই নিতে আসা খানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমসহ কয়েকজন শিক্ষক জানান, নতুন শিক্ষাবর্ষের সব বই হাতে পেয়েছি। পহেলা জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ করা হবে। বছরের প্রথম দিনেই নতুন বই নিয়ে আনন্দে বাড়ি ফিরবে শিক্ষার্থীরা। 

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ আহমেদ বলেন, '২০২৬ শিক্ষাবর্ষের শতভাগ বই আমরা পেয়েছি। মঙ্গলবার থেকে স্কুলে স্কুলে বই পাঠানো শুরু হয়েছে। ১ জানুয়ারি সকল শিক্ষার্থীরা নতুন বই হাতে পাবে।