মানুষের আশা আবাসন সমস্যা সমাধানে ও পরিকল্পিত নগরায়ণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে আবাসন কোম্পানিগুলো। এসব কোম্পানির মধ্যে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান হচ্ছে দি স্ট্রাকচার ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড। ১৯৯৪ সালে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি গত ৩০ বছরে ২৩৬টি প্রকল্প গ্রাহকদের কাছে হস্তান্তর করেছে। দেশের আবাসন ব্যবসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সেল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আব্দুল আউয়াল।
এক প্রশ্নের জবাবে প্রকৌশলী আব্দুল আউয়াল বলেন, গত কয়েক বছর ধরে আবাসন খাতে মন্দাভাব চলছে। এ খাতকে গতিশীল করতে একটি অবাধ, সবার অংশগ্রহণমূলক, সুষ্ঠু নির্বাচন করা উচিত।
তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে ফ্ল্যাটের দাম অনেক বেড়ে গেছে, এটা সত্য। ফ্ল্যাটের দাম বাড়ার মূল কারণ হলো মুদ্রাস্ফীতি।
জবাবে প্রকৌশলী আব্দুল আউয়াল বলেন, প্রত্যেক নিম্নমধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তের ফ্ল্যাট ক্রয়ের স্বপ্ন থাকে। ঢাকায় এখন ফ্ল্যাট নিম্নমধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের জন্য নয়, শহরতলিতে বা মূল শহরের বাইরে মধ্যবিত্তদের জন্য আমাদের ও অন্যান্য কোম্পানির প্রজেক্ট রয়েছে।
তিনি বলেন, অনেক আবাসন কোম্পানি নির্ধারিত সময়ে ফ্ল্যাট-প্লট হস্তান্তর করতে পারে না। এতে ক্রেতাদের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে। এটি থেকে উত্তরণ ঘটাতে হলে সরকারকে কঠোর আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।
প্রকৌশলী আব্দুল আউয়াল বলেন, অনেক ডেভেলপার কোম্পানি বিল্ডিং কোড মেনে ভবন নির্মাণ করতে চায় না। এতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নির্মাণ বাড়ছে। বিল্ডিং কোড মেনে ভবন নির্মাণে বাধ্য করতে কঠোর আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে সরকারই এর সমাধান করতে পারে।
তিনি বলেন, ফ্ল্যাট ও প্লট প্রকল্প শহরকেন্দ্রিক। এসব প্রকল্প বিভাগীয় শহর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিস্তৃত হচ্ছে না। ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাইরে ফ্ল্যাটের দামে জমি ক্রয় করে বাড়ি নির্মাণ করা সম্ভব। সে কারণে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আবাসন ব্যবসার প্রসার ঘটছে না বা বিস্তৃত হচ্ছে না।
প্রকৌশলী আব্দুল আউয়াল বলেন, ফ্ল্যাট-প্লট ক্রয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভীতি রয়েছে। কালো টাকার মালিকদের ভয় পাওয়ার যৌক্তিক কারণ আছে। সৎ ও সঠিক ট্যাক্স প্রদানকারীদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। আর কালো টাকা সাদা করার অন্যায় আবদার মেনে নিলে তো আর কোনো কিছু করার নেই, যা অসৎ টাকা উপার্জনকারীদের আরও উৎসাহিত করবে।
ডেভেলপার কোম্পানি সেল-এর ইন্টারভিউ