শনিবার ভোটার হবেন তারেক রহমান, এখনো আবেদন পায়নি ইসি

দেশে ফেরার দুদিন পর আগামীকাল শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) ভোটার তালিকায় নিজের নাম ওঠানোর পদক্ষেপ নেবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হবেন। তবে এখনো তিনি নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেননি।

১৭ বছর পর ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। রাত পোহালেই অর্থাৎ শনিবার ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হওয়া সংক্রান্ত সব কাজ করবেন। অথচ এখনো নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেননি।

গত সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ তথ্য জানিয়েছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার ভোটার হবেন তারেক রহমান-এ বিষয়ে আবেদন করেছেন কি না-জিজ্ঞাসা করলে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন (এনআইডি) অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর বলেন, ভোটার হওয়ার জন্য মাঠপর্যায়ে এখন কোনো সুযোগ নেই। তবে তারেক রহমান এনআইডি করতে পারবেন। তফসিল প্রকাশের পর ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‌যতটুকু আমি জানি, তারেক রহমানের পক্ষ থেকে কোনো চিঠি বা ফর্মাল আবেদন আমরা পাইনি। এনআইডি করতে পারবেন, কিন্তু ভোটার তালিকায় নাম তুলতে কমিশনের অনুমতি লাগবে।

শনিবার তারেক রহমান জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন করবেন। ইসি এই আবেদন অনুমোদন করলে তিনি বাংলাদেশের নাগরিক ও ভোটারের অধিকার ফিরে পাবেন এবং নির্বাচনে প্রার্থী হতে তার আর কোনো বাধা থাকবে না।

নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, তারেক রহমানের ভোটার হতে কোনো বাধা নেই এবং তিনি কমিশনে আসলে তার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। তবে তিনি কোন এলাকায় ভোটার হবেন, তা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।

২০০৭-২০০৮ সালে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়। ২০০৮ সালে কারামুক্তির পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তারেক রহমান লন্ডনে যান এবং এরপর দেশে ফেরার সুযোগ না পাওয়ায় ভোটার তালিকায় নাম লেখাতে পারেননি। রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলানোর পর তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান দেশে এসে ভোটার তালিকায় নাম লেখান। তারেক রহমানের মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর ক্যান্টনমেন্টের ঠিকানায় ভোটার হন।