গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারি এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসন থেকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের হয়ে লড়বেন জোনায়েদ সাকি। তবে আয়ের দিক থেকে জোনায়েদ সাকির চেয়ে স্ত্রী তাসলিমা আখতার এগিয়ে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া হলফনামায় তিনি এ তথ্য দেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইটে এ তথ্য পাওয়া গেছে। জোনায়েদ সাকি পেশা হিসেবে উল্লেখ করেছেন ‘প্রকাশক’ আর স্ত্রী তাসলিমা আক্তার পেশায় ‘শিক্ষক ও আলোকচিত্রী’।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, জুনায়েদ সাকির জন্ম ১৯৭৩ সালে ৯ ডিসেম্বর। শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘বিএ’ পাস। তিনি কখনই ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হননি। স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা হিসেবে দিয়েছেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ফরদাবাদ ইউনিয়নের চরলহনিয়া গ্রাম।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ি, জোনায়েদ সাকির মোট সম্পদের পরিমাণ ৪৬ লাখ ৬২ হাজার ৬০২ টাকা। অপরদিকে তার স্ত্রীর মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ২২ লাখ ৯৩ হাজার ৩০৪ টাকা। জোনায়েদ সাকি আয়কর দিয়েছেন ৩৭ হাজার ৬৪০ টাকা ও তার স্ত্রী আয়কর দিয়েছেন ২ লাখ ৭৩ হাজার ৪৪৮ টাকা।
জোনায়েদ সাকির বার্ষিক সাত লাখ ৭২ হাজার ৯৩৬ টাকা। এর মধ্যে ব্যবসা থেকে আয় এক লাখ ২০ হাজার ১৪১ টাকা, সঞ্চয়পত্র থেকে ২ হাজার ৭৯৫ টাকা এবং পেশা থেকে ৬ লাখ ৫০ টাকা। তার স্ত্রীর তাসলিমা আখতারে বার্ষিক আয় ২৩ লাখ নয় হাজার ২১১ টাকা। আয়ের উৎস হিসেবে উল্লেখ করেছেন, বিভিন্ন স্থাবর সম্পত্তির ভাড়া বাবদ ৪ লাখ ৮০ হাজার ৪০০ টাকা, সঞ্চয়পত্র থেকে তিন লাখ ১০ হাজার ৩৬৯ টাকা, অন্যান্য পেশা থেকে ছয় লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং বাড়ি ও দোকান ভাড়া থেকে আট লাখ ২৮ হাজার টাকা।
এছাড়া স্থাবর সম্পদের হিসেবে জোনায়েদ সাকির নামে ১১ একর অকৃষি জমি কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে মূল্য লেখা হয়নি। এছাড়া বেস্টওয়ে নেশন ওয়াইড হাউজিং লিমিটেডে তিনি তিন লাখ ২০ হাজার টাকা অগ্রিম জমা দিয়েছেন। তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ১৮ দশমিক ১৮ পয়েন্ট কৃষিজমি, যার মূল্য ১৫ হাজার টাকা। এছাড়া ৩২৫০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট ও ১৬৭ বর্গফুটের একটি দোকান রয়েছে, যার মূল্য ২৮ লাখ ৬৮ হাজার ৯৩৪ টাকা।