খুলনা-১ আসন

কৃঞ্চ নন্দী সম্পদে ও আমীর এজাজ এগিয়ে বার্ষিক আয়ে

খুলনা-১ আসনে (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) বৈধ ১০ প্রার্থীর মধ্যে সম্পদে এগিয়ে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী। অপরদিকে বার্ষিক আয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আমির এজাজ খান। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচনী লড়াইয়ে এ আসনে টিকে রয়েছেন ১০ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে এই দুই প্রার্থী হলফনামা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রার্থীদের হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দীর অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদ রয়েছে ২০ কোটি ৬৬ লাখ ২৯ হাজার ৯২৪ টাকার। যার মধ্যে ঋণসহ নগদ অর্থ ১৮ কোটি ৫৩ লাখ ৩৯ হাজার  ৯৮৪ টাকা হলফনামায় উল্লেখ করেছেন তিনি। ব্যবসা ও কৃষিখাত থেকে তার বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী আমীর এজাজ খানের অস্থাবর ও স্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা। এ ছাড়া ব্যবসা, কৃষিখাত, এফডিআর ও মূলধনী লাভ থেকে তার বার্ষিক আয় ১ কোটি ৩৩ লাখ ৬ হাজার ৯ হাজার টাকা।

প্রার্থীদের হলফনামা পর্যালোচনা করে আরো দেখা যায়, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী এসএসসি পাস। তিনি পেশা হিসেবে ব্যবসায়ী উল্লেখ করেছেন। তার অস্থাবর সম্পদ ১৯ কোটি ২ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮৪ টাকা এবং ১ কোটি ৬৩ লাখ ৯০ হাজার টাকার স্থাবর সম্পদ রয়েছে। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ ১৮ কোটি ৫৩ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮৪ টাকা রয়েছে। এ ছাড়া ৪৭ লাখ টাকা মূল্যের একটি নিশান জীপ ও একটি টয়েটো প্রোভাক্স প্রাইভেট কার, উপহারের ১৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, ২ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক পণ্য, উপহারের আসবাবপত্র রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। স্থাবর সম্পদের মধ্যে ২.৪৭ একর কৃষি জমির অর্জনকালীন মূল্য ৯৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা, ৩৯ লাখ টাকা মূল্যের ০.৫১৫০ একর অকৃষি জমি, ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগরে ২৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা মূল্যের ২টি তিনতলা পাকা বাড়ি রয়েছে। গত বছর আয়কর হিসাবে ৩০ হাজার ৮০০ টাকা প্রদান করেছেন তিনি।

অন্যদিকে, বিএনপির প্রার্থী আমীর এজাজ খান হলফনামায় পেশা হিসেবে ব্যবসা উল্লেখ করেছেন। তিনি বিএ পাস। ব্যবসাসহ বিভিন্ন খাতে তার বার্ষিক আয় ১ কোটি ৩৩ লাখ ৬ হাজার ৯ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ অর্থ ৩৬ লাখ ৩৯ হাজার ৪১৬ টাকা, ব্যাংকে জমা ২৪ লাখ ৮২ হাজার ২১৪ টাকা, এফডিআর ৮৫ লাখ টাকা, বাস, ট্রাক, মোটরযান ও মোটরসাইকেলের মূল্য ৪০ লাখ ৪০ হাজার টাকা, ৩০ ভরি সোনা, ২ লাখ ১৫ হাজার টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক পণ্য ও ১ লাখ টাকার আসবাবপত্র টাকা রয়েছে।

এ ছাড়া তার কৃষি জমি, অকৃষি জমি, ৮টি দোকান বাবদ ৬০ লাখ টাকার মূল্যের স্থাবর সম্পদ রয়েছে। গরুর খামারে ব্যাংক ঋণের পরিমাণ ৪৭ লাখ ৪৯ হাজার ৮৫১ টাকা। তার স্ত্রীর ২০ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। গত বছর আয়কর হিসাবে ১ লাখ ৫৭ হাজার ২০১ টাকা প্রদান করেছেন তিনি।