চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ সেশনের সমাজবিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ডি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল প্রকাশ করা হতে পারে। ইতিমধ্যে ডিন অফিস থেকে পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকালে বিষয়টি জানিয়েছেন সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এনায়েত উল্লা পাটওয়ারী।
গত ৩ জানুয়ারি সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে শুরু হয় ডি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা। এতে কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার। ডি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ছিল প্রায় ৯১.৯৯ শতাংশ এবং অনুপস্থিতির হার প্রায় ৮ শতাংশ।
ডি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ সংক্রান্ত এক প্রশ্নোত্তরে চবির সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এনায়েত উল্লা পাটওয়ারী বলেন, ডি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুতির কাজ মোটামুটি সম্পন্ন হয়েছে। এই ফলাফল এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলে পাঠানো হবে। ডিন অফিস থেকে আজকেই ফলাফল পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ডিন অফিস থেকে ফলাফল পেয়ে আইসিটি সেটা পুনরায় পরীক্ষা করে দেখবে। যাচাইয়ের মাধ্যমে শতভাগ নিশ্চিত হয়ে একটা নির্ভুল ফলাফল প্রকাশ করা হবে। আমরা আশা করছি আগামীকাল ডি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল জানা যাবে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ডি ইউনিটের পরীক্ষায় ৮৪৯টি সিটের বিপরীতে সর্বমোট আবেদনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৫১ হাজার ৫০৫ জন। শুক্রবার এ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে তিনটি বিভাগীয় শহরে একযোগে শুরু হয় এবারের ভর্তি পরীক্ষা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তিন কেন্দ্রে ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন সর্বমোট ৪৭ হাজার ৩৬২ জন পরীক্ষার্থী। উপস্থিতির হার ৯১.৯৯ শতাংশ। এতে অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ১৪৭ জন পরীক্ষার্থী। অনুপস্থিতির হার ৮ শতাংশ।
ডি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে উপস্থিত পরীক্ষার্থী ছিল ১৯ হাজার ২২২ জন এবং অনুপস্থিত ছিলেন ১ হাজার ৪৩৮ জন পরীক্ষার্থী। উপস্থিতির হার ছিল ৯৩.৫৫ শতাংশ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ২১ হাজার ৭৭ জন পরীক্ষার্থী। যেখানে অনুপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ২৯৪ জন পরীক্ষার্থী। এই কেন্দ্রে উপস্থিতির হার ৯০.১৮ শতাংশ। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছেন ৭ হাজার ৬৯ জন পরীক্ষার্থী। আবেদনের পরেও অংশ নেয়নি ৫২৬ জন পরীক্ষার্থী। এ কেন্দ্রে উপস্থিতির হার ৯৩.০৭ শতাংশ।
এবারে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪টি ইউনিট ও ৩টি উপ-ইউনিটে ৩ হাজার ৫৯৭টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ২ লাখ ৩৩ হাজারও বেশি ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। যা গত বছর ছিল ২ লাখ ৭১ হাজার ২৩৯ জন।