স্কুলছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করল উপজেলা প্রশাসন

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীর বাল্যবিবাহের আয়োজন বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার শিমুলিয়া ইউনিয়নের ইশাখাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সময়মতো খবর পেয়ে দ্রুত হস্তক্ষেপ করায় অনাকাঙ্ক্ষিত একটি ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে ওই শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ।

জানা গেছে, শিবালয় উপজেলার ঢাকাইজোড়া হাজী কোরবান আলী মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউশনের এক শিক্ষার্থী উর্মি আক্তারের বিয়ের আয়োজন চলছিল। বিয়ের প্রস্তুতি চলাকালে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন। উর্মি উপজেলার শিমুলিয়া ইউনিয়নের ইশাখাবাদ গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের বড় মেয়ে।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিষা রানী কর্মকার দ্রুত ব্যবস্থা নেন। তার নির্দেশে প্রশাসনের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেয়। এ সময় মেয়ের বাবা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিয়ে বন্ধ হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহলে বিষয়টি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে। তারা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিষা রানী কর্মকার দেশ রূপান্তরকে বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ফোর্স পাঠিয়ে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করা হয়। মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেওয়া হবে না মর্মে মেয়ের বাবার কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সবাইকে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতন করা হয়েছে।