অবিলম্বে শহীদ আনোয়ার উল্লাহ ও শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সাইফুল আলম খান মিলন।
আজ বুধবার জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের শের-ই-বাংলা নগর দক্ষিণ থানা জামায়াতে ইসলামীর পশ্চিম রাজাবাজার ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি ও ডা. আনোয়ারুল্লাহকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার নো’মান আহমেদীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান আযমী, অ্যাডভোকেট আবু সাঈদ মন্ডল, নুরুল ইসলাম আকন্দ, আবু জাফর মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন এবং শিবের নেতা এজাজ আহমেদ। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল ফার্মগেট থেকে শুরু হয়ে বিজয় স্মরণী মনিপুরী পাড়ার তেজগাঁও মসজিদের সামনে এসে শেষ হয়।
সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার বারবার অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিলেও দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। সন্ত্রাসীদের কাছে প্রভূত অস্ত্র থাকলেও এসব অস্ত্র উদ্ধারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কার্যকর কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। ফলে দেশের মানুষ এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। একই সাথে আমরা প্রার্থীরাও নিরাপদবোধ করছি না। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের নির্বাচন নিয়েই নানাবিধ উদ্বেগ, উৎকন্ঠা ও শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে। তাই আগামী নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করতে অবিলম্বে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তার করে নির্বাচনে লেভল প্লেয়িং ফিল্ড প্রস্তুত করতে হবে।
তিনি বলেন, দেশে হত্যাকাণ্ড এখন নিত্য-নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। শহীদ ওসমান হাদী হত্যার পর সারাদেশে ধারাবাহিক হত্যাযজ্ঞ চলছে। যার সর্বশেষ শিকার হচ্ছেন রাজাবাজার ওয়ার্ড জামায়াতের সহসভাপতি জননেতা ডা. মোহাম্মদ আনোয়ার উল্লাহ। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের ২ দিন অতিক্রান্ত হলেও প্রশাসনের কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেই। আর আইনশৃঙ্খলার এমন বেহাল পরিস্থিতিতে দেশে কোনও ভালো নির্বাচন হওয়ার সুযোগ নেই।