চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপি প্রার্থীর রিট শুনানি মুলতবি

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে দায়ের করা রিটের শুনানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতবি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আগামী শুনানিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তাদের বক্তব্য শোনা হবে।

শুনানিতে সরওয়ার আলমগীরের পক্ষে অংশ নেন বিশিষ্ট আইনজীবী আহসানুল করিম, বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়জী, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ অন্যান্যরা।

শুনানি শেষে বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়জী সাংবাদিকদের বলেন, সরওয়ার আলমগীর ঋণখেলাপি নন। বিধি মোতাবেক তিনি ব্যাংকের সকল পাওনা পরিশোধ করেছেন। তাকে অযথা হয়রানি করছেন জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক নুরুল আমিন।

তিনি আরও জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করার পরও জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুল আমিন ঋণখেলাপির অভিযোগ দায়ের করেন, যা শুনানির পর নির্বাচন কমিশন সরওয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিল করে।

এদিকে, সরওয়ার আলমগীরকে নির্বাচন থেকে বাদ দিতে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক নুরুল আমিন চেম্বার জজ আদালতে আরও একটি সিভিল পিটিশন (নং-২৮২/২০২৬) দায়ের করেছেন। এতে হালদা এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

১১৮ নং সিভিল পিটিশনের শুনানি শেষে চেম্বার জজ বিচারপতি রেজাউল হক মামলাটি আপিল বিভাগের ফুল বেঞ্চে প্রেরণ করেন। পিটিশনটির শুনানি আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে।

সরওয়ার আলমগীরের আইনজীবী বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফয়জী জানান, ‘হালদা এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে আনা ঋণখেলাপির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। প্রতিষ্ঠানটির সিআইবি রিপোর্ট হালনাগাদ রয়েছে এবং তারা কোনোভাবেই ঋণখেলাপি নয়।’

উল্লেখ্য, এর আগেও জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক নুরুল আমিনের দায়ের করা একটি সিভিল পিটিশন চেম্বার জজ ‘নো অর্ডার’ দিয়ে খারিজ করেন। এছাড়া হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে দায়ের করা নতুন সিভিল পিটিশনও কোনো আদেশ ছাড়াই খারিজ করা হয়েছে।