ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৫১টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩০টিরই কোনো নারী প্রার্থী নেই। সভা-সেমিনারে নারীর ক্ষমতায়নের ‘বুলি আওড়ানো’ জামায়াতে ইসলামীর মতো বড় দলও দেয়নি কোনো নারী প্রার্থী। সব মিলিয়ে এবার নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা আনুপাতিক হার মাত্র সাড়ে তিন শতাংশের কাছাকাছি। নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ নির্বাচন ‘অংশগ্রহণমূলক’ না হলেও নারী প্রার্থীর আনুপাতিক হার এবারের চেয়ে বেশি ছিল। অথচ দেশে নারী ভোটার আছে ৬ কোটি ২৮ লাখেরও বেশি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্প্রতি সময় নারীবিদ্বেষী বক্তব্য বেড়ে যাওয়ায় এবং আইনি কোনো বাধ্যবাধকরা না থাকার কারণেই নারী মনোনয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে না দলগুলো। তারা বলছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর এ প্রবণতা অব্যাহত থাকলে দীর্ঘমেয়াদে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের শর্ত অনুযায়ী, দলীয় পদে নির্দিষ্ট হারে নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার কথা থাকলেও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মনোনয়ন দেওয়া নিয়ে কিছু বলা নেই। তবে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর ধারা ২২(খ)-(ঘ) অনুযায়ী, প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে এবারের সংসদীয় নির্বাচনে ন্যূনতম ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন নিশ্চিত করার কথা বলে হয়েছে। আর পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে তা ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ৩৩ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে। অথচ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জোরালো দাবি জানানো দলগুলোর নারী প্রার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে কম।
মনোনয়ন যাচাই-বাছাই ও প্রত্যাহার পর্ব শেষে ভোটের লড়াইয়ে টিকে আছেন ১ হাজার ৯৯১ প্রার্থী। তাদের মধ্যে নারী প্রার্থী মাত্র ৬৫ জন।
নির্বাচন কমিশন, বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও গণমাধ্যমের তথ্যমতে, ২০২৪ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন সর্বোচ্চ ৯৪ জন প্রার্থী, আনুপাতিক হারে যা ছিল প্রায় ৫ দশমিক ১৫ শতাংশ। ২০১৮ সালের নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৬৯ জন। সেবার প্রার্থীর হার ছিল মাত্র ৩ দশমিক ৮০ শতাংশের মতো। দশম (২০১৪) নির্বাচনে ৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ নারী প্রার্থী ছিলেন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন নির্বাচনের ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩। এর মধ্যে পুরুষ ও নারী ভোটারের সংখ্যা যথাক্রমে ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ ও ৬ কোটি ২৮ লাখ ৭৯ হাজার ৪২ জন। এ ছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার আছেন ১ হাজার ২৩৪ জন। প্রায় সমানসংখ্যক ভোটার হলেও প্রার্থিতায় বৈষম্যের শিকার নারীরা।
নারীদের মনোনয়নের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান বিষয়ে নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য ড. মোহাম্মদ আব্দুল আলীম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এ সংখ্যা সত্যি হতাশাজনক। বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে, এত এত ডায়ালগ, এত অ্যাডভোকেসি, এত আন্তর্জাতিক ফরম্যাটে অংশগ্রহণ সবই অর্থহীন। পৃথিবীতে বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক দল স্বপ্রণোদিত হয়ে পলিসি তৈরি করে নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলে এ চর্চা নেই।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে দলের পদের ক্ষেত্রে আইন আছে, তবে প্রার্থিতার ক্ষেত্রে নেই। জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে যে, ৫ শতাংশ নারীকে মনোনয়ন দিতে হবে। কিন্তু এটি এখন পর্যন্ত অ্যাপ্রুভড নয়। গণভোটের পর হয়তো অ্যাপ্রুভ হবে।’
তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো যেকোনো মূল্যে জিততে চায় বলেই নারী প্রার্থী দেয়নি। তারা চিন্তা করে, কোন প্রার্থীর জেতার সম্ভাবনা আছে এবং বাংলাদেশের যে সংস্কৃতি, নারীরা সেখানে জিততে পারবে না এবং নারীদের টাকা-পয়সাও কম আছে।’
জাতীয় ঐকমত্য কমিশন প্রণীত জুলাই জাতীয় সনদে বলা হয়েছে, প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে এবারের সংসদীয় নির্বাচনে ন্যূনতম ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিতে হবে। পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে তা ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ৩৩ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। কিন্তু জুলাই সনদ যেহেতু এখনো বাস্তবায়িত হয়নি, তাই কার্যত সেই নিয়মও এখন অচল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বাসদ নেতা রাজেকুজ্জামান রতন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘প্রার্থী মনোনয়নে নারী-পুরুষ বিবেচনাটাই তো ন্যায়সংগত নয়। নারী-পুরুষ না হয়ে যিনি সবচেয়ে যোগ্য তাকেই মনোনয়ন দেওয়া উচিত। আমাদের পার্টি যে পাঁচজনকে মনোনয়ন দিয়েছে, তারা প্রত্যেকেই পার্টির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তারা জেলার দায়িত্ব পালন করে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন।’
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের পর সবচেয়ে বড় দল বিএনপির এত কমসংখ্যক নারীর মনোনয়ন দেওয়া নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর দলটি থেকে নারী প্রার্থী মাত্র নয়জন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নতুন নিবন্ধিত দল বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ-মার্ক্সবাদী) দলের নয়জন। এই একটি মাত্র দলটিই তাদের মোট প্রার্থীর এক-তৃতীয়াংশ নারী মনোনয়ন দিয়েছে। অন্যান্য দলের মধ্যে জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের) পাঁচজন, গণসংহতি আন্দোলন চার, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি তিন এবং গণঅধিকার পরিষদ তিন নারী প্রার্থী দিয়েছে। তবে এবি পার্টি জামায়াত জোটে এবং গণসংহতি আন্দোলন ও গণঅধিকার পরিষদ বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটে থাকায় এসব আসনে নারীদের শেষ পর্যন্ত নির্বাচন করার সম্ভাবনা কম।
মহিলা পরিষদের সভানেত্রী ডা. ফাওজিয়া মোসলেম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘প্রথমত যে কয়জনের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে সেটা খুবই সামান্য, সম্ভব এবারই সবচেয়ে কম। এতে করে রাজনৈতিক দলগুলো মুখে যাই বলুক না কেন, তাদের মানসিকতা বোঝা গেছে। এভাবে নারীর ক্ষমতায়ন হবে না। দেশের সর্বোচ্চ জায়গা পার্লামেন্ট নারীর প্রতিনিধিত্ব না থাকলে নারী অধিকারের কথা কে তুলবে? এই রাজনৈতিক দলগুলো? তারা বলবেই না। ফলে আমারা যে নারীর ক্ষমতায়নের জন্য যে আন্দোলন করছি, সেটা করে যেতে হবে।’
এত কমসংখ্যক নারী প্রার্থী থাকাকে হতাশাজনক উল্লেখ করে সাবেক নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রধান শিরিন পারভীন হক গণমাধ্যমে বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে নারী প্রার্থী মাত্র ৬৫ জন হওয়া হতাশাজনক হলেও বিস্ময়কর নয়। দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি এখনো পুরুষ আধিপত্যশীল এবং জুলাই অভ্যুত্থানের পরও রাজনৈতিক দলগুলোর মানসিকতায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি।’
তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের অভাব ও নারীবান্ধব নীতির ঘাটতির কারণেই নারী প্রার্থীর সংখ্যা কম। জুলাই সনদ প্রণয়নের সময় নারীদের অংশগ্রহণ ছিল না। এমনকি নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনসহ দ্বিতীয় ধাপে গঠিত সংস্কার কমিশনগুলোকে আলোচনায় ডাকা হয়নি। এ বিষয়ে লিখিতভাবে অনুরোধ জানানো হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি। নারীদের অর্থবহ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় একটি সাধারণ আসনের পাশাপাশি নারীদের জন্য সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সংরক্ষিত আসনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সেটি তো আলোর মুখ দেখেইনি, এমনকি আলোচিতও হয়নি।’
দেশে প্রথম নারী সাংসদ নির্বাচিত হন তৃতীয় সংসদে ১৯৭৯ সালে। এরপর ১৯৮৬ সালে পাঁচ, ১৯৮৮ সালে চারজন নারী সরাসরি নির্বাচিত হন। এ নির্বাচনগুলোতে মোট কতজন করে নারী প্রার্থী ছিলেন সে পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি। ১৯৯১ সালের হিসাব অনুযায়ী, ৩৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫, ১৯৯৬ সালের জুন মাসের নির্বাচনে ৩৬ প্রার্থীর মধ্যে ৮, ২০০১ সালের নির্বাচনে ৩৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬, ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৫৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৯, ২০১৪ সালের নির্বাচনে ২৯ প্রার্থীর মধ্যে ১৮ জন নারী নির্বাচিত হয়ে সংসদে যান। তবে দশম সংসদে সংসদ সদস্য স্বামীর মৃত্যুর পর উপনির্বাচনে তিনজন, স্বামীর ছেড়ে দেওয়া আসনে একজন এবং প্রধানমন্ত্রীর ছেড়ে দেওয়া আসনে একজনসহ পাঁচজন নারী বিভিন্ন সময়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আসেন।
এবার ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষিত নারী প্রার্থীদের মধ্যে আছেন বিএনপি থেকে নাটোর-১ আসনে ফারজানা শারমীন, ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, শেরপুর-১ আসনে সানসিলা জেবরিন, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খানম, ঢাকা-১৪ আসনে সানজিদা ইসলাম, ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ ইসলাম, ফরিদপুর-৩ আসনে নায়াব ইউসুফ আহমেদ, মাদারীপুর-১ আসনে নাদিরা আক্তার, সিলেট-২ আসনে মোছা. তাহসিনা রুশদীর।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে আছেন ঝালকাঠি-১ আসনে মাহমুদা আলম মিতু, ঢাকা-১৯ আসনে দিলশানা পারুল, ঢাকা-২০ আসনে নাবিলা তাসনিদ।
জাতীয় পার্টি থেকে প্রার্থী করা হয়েছে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে নুরুন নাহার বেগম, ঝিনাইদহ-১ আসনে মনিকা আলম, ঢাকা-১০ আসনে বহ্নি ব্যাপারী, নরসিংদী-৫ আসনে মেহেরুন নেছা খান হেনা, খাগড়াছড়ি আসনে মিথিলা রোয়াজাকে। গণ অধিকার পরিষদ থেকে আছেন সিরাজগঞ্জ-১ আসনে মোছা. মল্লিকা খাতুন, ঢাকা-৮ আসনে মেঘনা আলম, নরসিংদী-১ আসনে শিরিন আক্তার।
গণসংহতি আন্দোলন থেকে নাটোর-২ আসনে তাহামিদা ইসলাম তানিয়া, ঢাকা-১২ আসনে তাসলিমা আখতার, ঢাকা-১৮ আসনে বিলকিস নাসিমা রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে নাহিদা জাহানকে প্রার্থী করা হয়েছে।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) থেকে নেত্রকোনা-৪ আসনে আছেন জলি তালুকদার। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) নারী প্রার্থীরা হলেন মাগুরা-১ আসনে শম্পা বসু, বরিশাল-৫ আসনে মনীষা চক্রবর্তী।
বাসদ-মার্ক্সবাদী থেকে গাইবান্ধা-৫ আসনে মোছা. রাহেলা খাতুন, রংপুর-৪ আসনে প্রগতি বর্মণ তমা, জয়পুরহাট-১ আসনে তৌফিকা দেওয়ান, ঢাকা-৫ আসনে শাহিনুর আক্তার সুমি, ঢাকা-৭ আসনে সীমা দত্ত, গাজীপুর-১ আসনে তাসলিমা আক্তার, মৌলভীবাজার-২ আসনে সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১০ আসনে আসমা আক্তার, চট্টগ্রাম-১১ আসনে দীপা মজুমদারকে প্রার্থী করা হয়েছে।
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির নারী প্রার্থীরা হলেন সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে ইলোরা খাতুন, ঢাকা-৭ আসনে শাহানা সেলিম, ফরিদপুর-৩ আসনে আরিফা আক্তার বেবী, কুমিল্লা-৫ আসনে শিরিন আক্তার, নোয়াখালী-১ আসনে রেহানা বেগম, লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে তানিয়া রব।
ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে রোকেয়া আক্তার, ঢাকা-১২ আসনে মোছা. সালমা আক্তার, ঢাকা-১৩ আসনে ফাতেমা আক্তার মুনিয়া, গাজীপুর-২ আসনে সরকার তাসলিমা আফরোজ, নরসিংদী-৫ আসনে তাহমিনা আক্তার, চট্টগ্রাম-১০ আসনে সাবিনা খাতুনকে প্রার্থী করা হয়েছে। গণফোরামের নারী প্রার্থীরা হলেন ঝিনাইদহ-৪ আসনে খনিয়া খানম ও ঢাকা-৯ আসনে নাজমা আক্তার।
এ ছাড়া নাগরিক ঐক্য থেকে পাবনা-৪ আসনে শাহনাজ হক, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে রাঙ্গামাটি আসনে জুঁই চাকমা, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) থেকে কুষ্টিয়া-৩ আসনে মোছা. রুমপা খাতুন, জাতীয় পার্টি-জেপি থেকে ঝিনাইদহ-১ আসনে মনিকা আলম, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি থেকে ঢাকা-১০ আসনে নাসরীন সুলতানা, আম জনতার দল থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে শরিফা আক্তার, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে আয়েশা আক্তার, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) থেকে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে মোছা. শেফালী বেগম এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগ থেকে দিনাজপুর-৩ আসনে লায়লা তুল রীমাকে প্রার্থী করা হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন রংপুর-৩ আসনে মোছা. আনোয়ারা ইসলাম রানী, নাটোর-২ আসনে সাবিনা ইয়াসমিন, জামালপুর-৪ আসনে মেহেরজান আরা তালুকদার, ময়মনসিংহ-৬ আসনে আখতার সুলতানা, নেত্রকোনা-৪ আসনে তাহমিনা জামান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে রুমিন ফারহানা ও নোয়াখালী-৫ আসনে হাসনা জসীমউদদীন মওদুদ।