দেশের চালের বাজার মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে আজ থেকে সারা দেশের ৪১৯টি উপজেলায় অতিরিক্ত ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কর্মসূচির আওতায় ভর্তুকি মূল্যে চাল বিক্রি শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমদাদ ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই বিশেষ কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি উপজেলায় দৈনিক ১ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষ প্রতি কেজি চাল মাত্র ৩০ টাকা দরে সংগ্রহ করতে পারবেন। এই অতিরিক্ত ওএমএস কার্যক্রমটি বর্তমানে চলমান ‘সাধারণ ওএমএস’ কর্মসূচির পাশাপাশি সমান্তরালভাবে পরিচালিত হবে। অর্থাৎ আগের কেন্দ্রগুলো থেকে চাল-আটা বিক্রির প্রক্রিয়াটি যথানিয়মে চালু থাকবে।
বর্তমানে চলমান সাধারণ ওএমএস কর্মসূচির মাধ্যমে সারা দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশন, ৫২টি জেলা সদর পৌরসভা এবং শ্রমঘন উপজেলা ও পৌরসভাসহ মোট ১০৮১টি কেন্দ্রে সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্যশস্য বিক্রি করা হচ্ছে। এই কেন্দ্রগুলো থেকে প্রতিদিন ১৪১৭.৫ মেট্রিক টন আটা (খোলা আটা ২৪ টাকা কেজি ও ২ কেজির প্যাকেট ৫৫ টাকা) এবং ১১৭৫ মেট্রিক টন চাল (৩০ টাকা কেজি) ভর্তুকি মূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ রয়েছে এবং মাঝারি ও মোটা চালের দাম স্থিতিশীল আছে। তবে দেশের কিছু কিছু এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে সরু চালের দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করার পাশাপাশি অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।