মির্জা ফখরুল

হাসান মোল্লাকে হত্যা দেশকে অস্থিতিশীল করার সুদূরপ্রসারী মাস্টারপ্ল্যান

কেরানীগঞ্জের হযরতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসান মোল্লা গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, গত ২২ জানুয়ারি দুস্কৃতকারীদের গুলিতে গুরুতর আহত হযরতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসান মোল্লার মৃত্যুতে তার পরিবার-পরিজনদের প্রতি আমি গভীর শোক ও সহমর্মিতা জানাই। সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের নীতি ও আদর্শ এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনে গভীরভাবে বিশ্বাসী হাসান মোল্লা গণতান্ত্রিক প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছে। তার মৃত্যুতে হযরতপুর ইউনিয়ন বিএনপির যে ক্ষতি হলো তা সহজে পূরণ হবার নয়।

তিনি বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তির একজন বলিষ্ঠ সৈনিক হওয়ার কারণেই হাসান মোল্লাকে টার্গেট করা হয়েছিল। যার ফলশ্রুতিতে দুস্কৃতকারীরা তাকে গুলি করে হত্যা করেছে। এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে দেশকে অস্থিতিশীল করার এটি নিঃসন্দেহে একটি সুদূরপ্রসারী মাস্টারপ্ল্যান। সরকার আইন শৃঙ্খলার উন্নতিতে তৎপরতা দেখাতে পারছে না বলেই খুন-জখমের মতো রক্তাক্ত পরিস্থিতির অবসান হচ্ছে না। অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের দমন করে রাষ্ট্র ও সমাজ থেকে ভয়ভীতি ও আতঙ্ক দুরিভূত করতে হবে। অন্যত্থায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে কিনা তা নিয়ে জনমনে শঙ্কা তৈরি হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তকারীরা বসে নেই, তারা ধারাবাহিকভাবে হিংস্র সহিংসতা চালিয়ে রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্য সাধন করতে চায়। কিন্তু সরকার চক্রান্তকারীদের উচ্ছেদ করতে ব্যর্থ হচ্ছে। ফলে একের পর এক গণতন্ত্রমনা রাজনৈতিক নেতা হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছেন। তাই এ মুহূর্তে গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দুর্বৃত্তদের রুখে দিতে হবে।

বিএনপি মহাসচিব বিবৃতিতে হাসান মোল্লার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাকে হত্যাকারী দুস্কৃতকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।