ধানের শীষের প্রচারণায় মুখরিত দনিয়া, ভালোবাসায় সিক্ত রবিন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর তৃতীয় দিনে সহস্রাধিক ভোটার সাধারণ জনগণ এবং নেতাকর্মীর সমন্বয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনী প্রচারণা করেন ঢাকা-৪ আসনের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ও ধানের শীষের কান্ডারী তানভীর আহমেদ রবিন। 

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে রাজধানীর নির্বাচনী আসন-৪ এর কদমতলী থানাধীন ৬১ নম্বর ওয়ার্ড দনিয়ার কুদরত আলী বাজার থেকে শুরু করে বিভিন্ন এলাকায় এ জনসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা করেন। 

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, তানভীর আহমেদ রবিন আমাদের এলাকার ছেলে। তার বাবা সালাউদ্দিন আহমেদ ছিলেন আমাদের সাবেক তিনবারের সংসদ সদস্য। তিনি কখনো অন্যায়ের সাথে আপোষ করেননি। নিজের সবটা দিয়ে চেষ্টা করতেন এলাকার জন্য কাজ করার। তার ছেলে রবিনও তার মতোই এই এলাকাকে আগলে রাখবেন আমরা আশাকরি। 

এ সময় উপস্থিত বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিন বলেন, আমি এই মাটির সন্তান। আমাকে কাজ করার জন্য কারো চাপ প্রয়োগ করতে হবে না। আমি আমার দায়বদ্ধতা থেকে কাজ করতে চাই। আপনারা আমার বাবা মায়ের মতো আমাকে আদেশ উপদেশ দিবেন। আমার ভুল হলে সেটি দেখিয়ে দিবেন। আমি সাথে সাথে নিজের ভুল থেকে বেরিয়ে আসতে চেষ্টা করবো। 

নিজ এলাকার মানুষের ভালোবাসার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমি সবার কাছে আগেও এসেছি। তবে দনিয়াবাসী আমাকে এভাবে সাহস আর উৎসাহ দিবে তা ভাবতে পারিনি। আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকবো। আপনাদের ভালোবাসা আমাকে কাজ করতে কাজের প্রতি আগ্রহী করে তুলেছে।

সবার সহযোগিতায় কাজ করার সুযোগ পেলে এলাকার জন্য নিজেকে উজাড় করে দিতে চান বলে তিনি বলেন, আমি আমার পক্ষে সম্ভব আর তা করবো না— এমন কখনো হবে না। আমি আপনাদের সাথে নিয়ে রাতদিন পরিশ্রম করে এই শ্যামপুর কদমতলী থানাকে সমগ্র দেশের ভেতর সবচেয়ে সুখি সমৃদ্ধ, নিরাপদ করে গড়ে তুলতে চাই। যেখানে আমার মা বোনেরা সবসময় নিরাপদ অনুভব করবে। 

অন্যায়কারী এবং প্রশ্রয়দাতা কারো ছাড়া হবে না বলে তিনি বলেন, আমার বাবা বিগত তিনবার আপনাদের সেবা করেছে কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেননি। আমি তার আদর্শে বিশ্বাসী হয়ে বলতে চাই এই ঢাকা-৪ এ কোন অপরাধী তার প্রভাব বিস্তার করতে চাইলে তাকে আমাকে উপেক্ষা করে যেতে হবে। আমার দলের কেউ অন্যায় করলে তাকে সবার আগে আইনের আওতায় আনবেন।

এ সময় শান্তিপূর্ণ প্রচারণাটি ৬১নং ওয়ার্ডের দনিয়া, পুরাতন দনিয়া, দক্ষিণ দনিয়া, সরাই, দক্ষিণ কুতুবখালী, কবিরাজবাগ, রসুলপুর, দাসপাড়া, নয়াপাড়া ও উত্তর দনিয়ার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে দনিয়া বাজারে এসে শেষ হয়।