এপ্রিলে শুরু হচ্ছে চীনের হাসপাতাল নির্মাণকাজ

অবশেষে উত্তরাঞ্চলের নীলফামারীতে নির্মাণ কাজ শুরু হচ্ছে বাংলাদশে-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতালের ১ হাজার শয্যার ১০ তলা ভবন। চলতি বছরের (২০২৬) এপ্রিল মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে এ হাসপাতালের নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে। যা ২০২৯ সালের মার্চ মাসের মধ্যে শেষ করার সময় ধরা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চীনের অনুদানে বিশেষায়িত হাসপাতালটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ২৯২ কোটি টাকা। এর মধ্যে চীন সরকার দেবে ২ হাজার ২১৯ কোটি টাকা অনুদান। বাকি ৭৩ কোটি টাকা দেবে বাংলাদেশ সরকার। ওই টাকার মধ্যে হাসপাতালের যন্ত্রপাতি কেনার জন্য খরচ হবে ৯৪৫ কোটি টাকা, ভবন নির্মাণে ৮০২ কোটি এবং সোলার প্যানেল, সিসিটিভি ও আনুষঙ্গিক কাজে ২৪৮ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। গত রবিবার রাজধানীর পরিকল্পনা কমিশন চত্বরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী (একনেক) সভায় এই প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদষ্টো ও একনেক চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূস। জানা যায়, একনেকে এই হাসপাতাল অনুমোদনের আগে গত ১৮ জানুয়ারি পরিকল্পনা কমিশন বাংলাদশে-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল প্রকল্পের ওপর মূল্যায়ন সভা (পিইসি) করেছিল। এ প্রকল্পের আওতায় হাসপাতালের মূল ভবন হবে ১০ তলা। রোগী দেখার জন্য অধ্যাপক ও জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকদের জন্য আলাদা ১০ তলা ভবন হবে। সেখানে চিকিৎসকও

থাকবেন। এ ছাড়া নার্সদের জন্য ৬ তলা ডরমিটরি এবং অন্য কর্মচারীদের জন্য ১০ তলা ভবন থাকবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য একটি ভবন, সার্ভিস ভবন, একটি হেলিপ্যাড ও অটোমেটিক অ্যাম্বুলেন্স সিস্টেম থাকবে এই হাসপাতালে।

সমীক্ষা অনুসারে এ জেলায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও রেলওয়ে জংশন আছে। জেলায় দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর হার তুলনামূলক বেশি। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, কিডনি, মাতৃ ও নবজাতক জটিলতা, ডেঙ্গু এবং ডায়রিয়াসংক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে।