টাঙ্গাইলে দম্পতিকে হত্যা, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট

টাঙ্গাইলের বাসাইলে বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ঘরের ভেতরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করা হয়। অভিযোগের তীর উঠেছে ধানের চারা রোপণ করতে আনা অজ্ঞাত দুই শ্রমিকের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের ঘোষাখালী গ্রামে তাদের নিজ ঘর থেকে মৃতদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

নিহতের নাতি শাকিল সিকদার বলেন, ‘গত রবিবার কৃষি জমিতে ধানের চারা রোপণ করার জন্য শরিফ ও সুমন নামের অজ্ঞাত দুজন শ্রমিক আনা হয়। আমার দাদার পায়ে প্রচ- ব্যথা ছিল। পরে শ্রমিকরা পায়ের ব্যথা ভালো করার জন্য দাদাকে কবিরাজি ওষুধ খেতে দেয়। গত রাতে দাদার ঘরের বারান্দায় শ্রমিকদের ঘুমানোর জন্য জায়গা দেওয়া হয়। আর দাদা ও দাদি ঘরের ভেতরে ঘুমান। রাতের কোনো এক সময় ঘরের টিন কেটে ঘরের দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে শ্রমিকরা। এ সময় দাদা ও দাদিকে শ^াসরোধ করে হত্যার পর নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে পালিয়ে যায় শ্রমিকরা। পরে সকালে তাদের দুজনকে উদ্ধার করে মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হাবলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম বলেন, ‘দুজন অজ্ঞাত শ্রমিকের বিরুদ্ধে বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের ঊর্র্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের শাস্তির দাবির জানাচ্ছি।’

টাঙ্গাইলের সহকারী পুলিশ সুপার (সখীপুর সার্কেল) একেএম মামুনুর রশিদ বলেন, ‘ধানের চারা রোপণের জন্য দুজন শ্রমিক আনা হয়েছিল। ভোর থেকে তাদের পাওয়া যাচ্ছে না। এই বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যার ঘটনার অজ্ঞাত দুজন শ্রমিককে অভিযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।’