বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে চারটি চালানের মাধ্যমে ৫১০ টন (নন-বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ১৪টি ট্রাকে আমদানি করা চালের এসব চালান বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইর্য়াডে প্রবেশ করে।
চাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাজি মুসা করিম অ্যান্ড সন্স। আমদানি করা চাল ছাড়করণের জন্য কাজ করছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মের্সাস ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ।
বন্দর সূত্র জানায়, গত বছরের নভেম্বর মাসে এই বন্দর দিয়ে সর্বশেষ চাল আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ১২৮ টন। গত ১৮ জানুয়ারি আবার ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার, যা সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ৩ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে আমদানিকৃত চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে।
সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি আব্দুল আলিম বলেন, চাল আমদানির শুরু থেকেই আমরা কাস্টম হাউজে চাল ছাড়করণের জন্য কাজ করে আসছি। ভারত থেকে আজ (মঙ্গলবার) দুপরে ৫১০ টন চাল আমদানি হয়েছে। আমদানিকৃত চাল ছাড়করণের জন্য বেনাপোল কাস্টম হাউজে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সাবমিট করেছি। আশা করি দ্রুতই চাল ছাড়করণের ক্লিয়ারেন্স হাতে পাব।
বেনাপোল বন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ জানান, গত বছরের নভেম্বর মাসে এই বন্দর দিয়ে সর্বশেষ চাল আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ১২৮ টন। গতকাল দুপুরে চার চালানে ৫১০ টন চাল আমদানি হয়েছে। আমদানিকৃত চালের চালানগুলো বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।