লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে প্রায় ২ কোটি টাকার সড়ক উন্নয়ন ও মেরামত কাজের অনিয়মের অভিযোগ উঠে মা এন্টারপ্রাইজের ঠিকাদার মোক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় শাহাজান বলেন, উত্তর পশ্চিম চর জাঙ্গালিয়া সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে দীর্ঘ কয়েক মাস 'ঠিকাদার' কিছু কাজ করে গা ডাকা দিয়েছে। সড়কের কাজে ব্যাপক অনিয়ম রয়েছে। ঠিকাদার ইটের পঁচা আদলা ও কনা দিয়ে জীর্নশীর্ণ অর্ধেক কাজ করেন। এতে স্থানীয়দের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি ও দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ধুলা-বালি মিশ্রিত সড়কে কোনমতে যাতায়াত বা চলাচল করা যায় না। বর্ষায় পানিতে আটকা ছিল স্থানীয়রা। এখন শুষ্ক মৌসুমে ধুলা-বালিতে জনজীবন বির্যস্ত। সম্পূর্ণ অনিয়মের মধ্যে কাজ করছে ঠিকাদার। দ্রুত দূর্ভোগ নিরসন যাচ্ছে স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয় মো.ইসমাইল হোসেন বলেন, চর ফলকন-পাটোয়ারীর হাট সড়ক মেরামতে ঠিকাদারের নানা অনিয়মের কারণে কাজ বন্ধ রয়েছে। সড়ক মেরামতে মাটি মিশ্রিত কনা ও আদলা ব্যবহারে স্থানীয়রা বাঁধা দিলে কাজ বন্ধ হয়। দীর্ঘদিন পার হলেও সড়ক মেরামতের কাজ শুরু হচ্ছে না। এতে জনদূর্ভোগ বেড়েই যাচ্ছে। যান চলচলে ঝুঁকি বাড়ছে। সড়কটি যাতায়াত ও যান চলাচলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
অফিস সূত্রে জানান, (আরআইডিপিএনএফএল) নোয়াখালী প্রকল্পে মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজ উত্তর পশ্চিম চর জাঙ্গালিয়া সড়কের উন্নয়ন কাজে চেইনেজ; ৬৬০মি-১৮'শ মিটার (১২'শ) মিটার কাজে ১ কোটি ২৭ লাখ টাকা এবং চর ফলকন-পাটোয়ারীর হাট সড়কের মেরামত কাজে চেইনেজ; শূন্য (০) থেকে ৯৯০মি; কাজে ৫৩লাখ টাকার বরাদ্দ পান। টেন্ডার ২৪-২৫অর্থ বছর হয়েছে।
মা এন্টারপ্রাইজের পরিচালক (ঠিকাদার) মোক্তার হোসেন বলেন, কাজের কিছু অনিয়ম থাকায় দুটো কাজই বন্ধ রয়েছে। খুবই দ্রুত কাজ চলবে। স্থানীয়রা তো অভিযোগ দিবেই। আরও কত খারাপ সড়কে মানুষ চলাচল করে। কাজের মেস্ত্রী অন্য জায়গায় কাজ করে। যার কারণে কাজ ধরতে সময় নিচ্ছে।
উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শাকিব বলেন, ২৪-২৫ অর্থ বছরের কাজ। দীর্ঘ সময় গেলেও কাজ সঠিকভাবে করছে না। কাজে অনিয়ম থাকায় বন্ধ রয়েছে। মানুষের প্রচুর দুর্ভোগ হচ্ছে। প্রতিদিন অভিযোগ আসছে। কমলনগর উপজেলা প্রকৌশলী আবদুল কাদের মুজাহিদের ফোনে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।