সরকারি কর্মকর্তা হয়েও প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দুই কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। তাদেরকে আগামী শনিবার সশরীরে হাজির হয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
অভিযুক্ত ওই দুই কর্মকর্তা হলেন, কসবা উপজেলার বাদৈর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মো. জিয়ার হোসাইন ও বাদৈর ইউনিয়নে দায়িত্বরত সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মনির হোসেন। অভিযোগের সঙ্গে প্রচারণার কাজে অংশ নেওয়ার ছবি জুড়ে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ সংক্রান্ত কাগজপত্র এ প্রতিবেদকের হাতে আসে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জিয়ার হোসাইন ও মনির হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মুশফিকুর রহমানের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেন বলে আব্দুল হালিম নামে এক ব্যক্তি গত ২ ফেব্রুয়ারি কসবার সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ দাখিল করেন। এরই প্রেক্ষিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারক কমিটি, ওই আসনে দায়িত্বরত ১ম শ্রেণির জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও সিভিল জজ মিজানুর রহমান এ চিঠিতে তাদেরকে কারণ দর্শাতে বলেন।
ওই কারণ দর্শানোর নোটিশে উল্লেখ করা হয়, অভিযোগ ও সংযুক্ত নির্বাচনী প্রচার কাজের ছবি পর্যালোচনা করে আপাত সত্য মর্মে প্রমাণিত হয়। প্রচারকাজে অংশ নেওয়ার বিষয়টি সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল প্রার্থীর আচরণবিধিমালা পরিপন্থী এবং নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না মর্মে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১২টায় তাদেরকে অনুসন্ধান কমিটির কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে ব্যাখা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। অন্যথায় একতরফাভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়।