প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ নিয়ে নতুন ইঙ্গিত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষার পরবর্তীতে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের লক্ষ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) বর্তমানে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর যাচাই-বাছাইসহ প্রয়োজনীয় কারিগরি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গত ৩ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে জেলা পর্যায়ে মৌখিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এতে ৬৯ হাজার ২৬৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হবে। সবকিছু সঠিকভাবে সম্পন্ন হলে মঙ্গলবারের মধ্যে ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে লিখিত পরীক্ষার সময়ও বিভিন্ন জেলায় একাধিক ডিভাইস পার্টি আটক হয়। পরবর্তীতে মৌখিক পরীক্ষায় জালিয়াতির চেষ্টা করায় কয়েকজন ধরা পরে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান দেশ রূপান্তরকে বলেন, শিক্ষক পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি জানান, লিখিত ও মৌখিক উভয় পরীক্ষাই ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত যাচাই-বাছাই পর্যায়ে রয়েছে। যাচাই কার্যক্রম শেষ হলে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের সর্বোচ্চ মহলের নির্দেশনা অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হচ্ছে এবং নির্বাচন পূর্ব সময়ের মধ্যেই ফল প্রকাশের বিষয়ে অধিদপ্তর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

৭ সহস্রাধিক প্রতিস্থাপন আদেশধারী শিক্ষকদের বিষয়ে জানতে চাইলে মহাপরিচালক বলেন, আপনি অবগত আছেন এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর খুবই ইতিবাচক। শিক্ষকরা যাতে দুশ্চিন্তা ছাড়াই পাঠদানে মনোযোগী হয় সেটা আমরা করব। বিষয়টি ইতিবাচকভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন শিক্ষক পদায়নের আগেই প্রতিস্থাপন সংক্রান্ত জটিলতা নিষ্পত্তি করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের মাধ্যমে শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত শুরু করা সম্ভব হবে, যা প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।