ময়মনসিংহ-১১ বিএনপি-স্বতন্ত্র লড়াই

হরিণ কি ধান খেতে পারবে নাকি বনে ফিরে যাবে!

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের প্রার্থীদেররাত দিন এক হয়ে যাচ্ছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে প্রার্থীদের গণসংযোগ,পথসভা,উঠান বৈঠক, লিফলেট বিতরণ ও জনসংযোগ। এছাড়া ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তারা।

আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে ফখর উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি) ধানের শীষ, মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম (স্বতন্ত্র) হরিণ, জাহিদুল ইসলাম (এনসিপি) শাপলাকলি, মো. মোস্তফা কামাল (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) হাতপাখা প্রতীক ও আনোয়ারুল ইসলাম বিদ্যুৎ (গণ অধিকার পরিষদ) ট্রাক প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও ফখর উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি) ধানের শীষ, মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম (স্বতন্ত্র) হরিণ প্রতীকের মাঝে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ধারণা সচেতন মহলের।

আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ না নেওয়া জয় পরাজয় নির্ভর করছে আওয়ামীলীগ সমর্থিত ভোটারদের ওপর।  ধানের শীষ ও হরিণ প্রতীকের প্রার্থীরা বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে আওয়ামী লীগের ভোট আদায়ের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন ।

স্বতন্ত্র হরিণ প্রতীকের প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম বলেন, আমি জনগনের দাবির প্রেক্ষিতে প্রার্থী হয়েছি ভোটাররা যথেষ্ট সাড়া দিচ্ছে ইনশাআল্লাহ শতভাগ বিজয় সুনিশ্চিত।

ধানের শীষের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু জানান, বিগত সময়ে তিনটি নির্বাচনে আমি অংশগ্রহণ করলেও ফ্যাসিবাদরা জোর করে ভোট ডাকাতি করে আমার জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। আমি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। তাছাড়া ভোটারা ভোট দিতে যথেষ্ট আগ্রহ দেখাচ্ছেন্। 

ভালুকা উপজেলার র্নিবাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটারিং অফিসার মো. ফিরোজ হোসেন জানান, নির্বাচনী এলাকায়  ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা। মোট ১০৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে সাতটি করে মহিলা ও পুরুষ কেন্দ্র এবং সাধারণ কেন্দ্র ৯৩টি। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৯। সবগুলো ভোট কেন্দ্রই সিসিটিবির স্থাপন করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৮টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রচারনার শুরু থেকেই আমাদের সাতজন ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন।