ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু জেলায় কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। রবিবার দাগনভূঞা উপজেলার দুলামিয়া কটন মিলে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে দুই উপজেলার উন্নয়নে কোনো বৈষম্য করা হবে না। একই সঙ্গে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি। গণভোট প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘আমার দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান গণভোট নিয়ে যে ঘোষণা দিয়েছেন, আমিও সে সিদ্ধান্তের বাইরে নই।
মিন্টু আরও বলেন, আমাদের দুটি উপজেলা। এখানে নদীভাঙন ও সেচ ব্যবস্থা একটি বড় ইস্যু। এসব ইস্যুর সমাধানে মুছাপুর রেগুলেটরটি দ্রুত নির্মাণের ব্যবস্থা করতে হবে। এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও যোগাযোগ খাতের উন্নয়নে কাজ করব। মিরসরাই ইকোনমিক জোনের একটি অংশ আমাদের সোনাগাজীতে রয়েছে। এটি আরেকটু প্রশস্ত করতে পারলে সেখানে বিনিয়োগের নানা ক্ষেত্র তৈরি হবে। তবে এসবের জন্য রাজনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশের স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। আমার কাজ ওই পরিবেশ নিশ্চিত করা।
আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, যদি ভোটাররা ভোট দিতে যান তাহলে আমি জনগণনির্ভর নির্বাচন করছি। আমার প্রধান কাজ হলো জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা, যাতে তারা ভোট কেন্দ্রে যান। ভোট কেন্দ্রে গেলে তারা যাকে ইচ্ছা ভোট দেবেন। অতীতের মতো যাতে উল্টাপাল্টা ভোট গণনা না হয় এবং ফলাফলটাও উল্টাপাল্টা ঘোষণা না করা হয়।
দ্বৈত নাগরিকত্ব ও নানা অপপ্রচারের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি দ্বৈত নাগরিক ছিলাম। দেশের আইন ও সংবিধান অনুযায়ী সেটা পরিত্যাগ করে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি। এসব বিষয় নিয়ে যারা বলে তাদের বলতে দিন। কেউ যদি আমার বিষয়ে জানতে চায়, আমি কতটুকু বাংলাদেশী। এটা তো আসলে দেশের জন্য লজ্জাজনক। তারা বলছে আমি ঝন খেলাপি, অথচ বাংলাদেশের কোন ব্যাংক আমার কাছে এক টাকাও পাবে না।
মতবিনিময় সভায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার ও মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়ক সাংবাদিক সলিম উল্লাহ মেজবাহ উপস্থিত ছিলেন।