ঢাকা-৬ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ড. আব্দুল মান্নান বলেছেন, ৪০ দিন নগর ভবন তালা দিয়ে রাখার জবাব ঢাকা-৬ এর জনগণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে দেবে। যেই সাদেক হোসেন খোকা শেখ হাসিনাকে পরাজিত করেছ সেই সাদেক হোসেন খোকার পুত্রের চাঁদাবাজির জবাব জনগণই দেবে। ঢাকা-৬ এর জনগণ মাদক পছন্দ করে না, চাঁদাবাজি পছন্দ করে না, সন্ত্রাস পছন্দ করে না। এখানকার জনগণ মাদক-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এক নতুন ইতিহাস রচনা করবেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে স্থানীয়দের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠিত গণমিছিলের আগে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি উপস্থিত হাজার-হাজার জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, তিনি নির্বাচিত হলে ঢাকা-৬ সংসদীয় এলাকাকে মাদক-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ মুক্ত করে এক নিরাপদ ও বাসযোগ্য মানবিক শহর হিসেবে গড়ে তুলবেন। জনগণের মৌলিক সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। আর নয় অবহেলা; আধুনিক হবে পুরান ঢাকা স্লোগানে ঢাকা-৬ সংসদীয় এলাকার বিদ্যমান সকল সমস্যা সমাধান করা হবে। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে গণভোটে ‘হ্যা’ এবং দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিতে স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানান।
সমাবেশ শেষে, ড. আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে এক বিশাল গণমিছিল রাজধানীর ইত্তেফাক মোড় থেকে শুরু হয়ে টিকাটুলি ফুট ওভার ব্রিজ-সেন্টাল উইমেন্স-শাহজাহান ভাইয়ের বাসা-মিতালী বিদ্যাপীঠ-রাজধানী মার্কেট- পীরসাহেব গলি (মশুরী খোলা)-বাবু ভাইয়ে বাসার গলি-মুরগি টোলা-দয়াগঞ্জ-ধূপখোলা-সাধনা ঔষধালয়-শতীস সরকার রোড-লোহারপুল-সূত্রাপুর বাজার-বাংলাবাজার-জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়-রায় সাহেব বাজার-নবাবপুর রোড-কাপ্তান বাজার প্রদক্ষিণ করে বাংলাদেশ হোমিও কলেজের সামনে এসে শেষ হয়।
এ সময় মহানগরীর অফিস সেক্রেটারি ও ঢাকা-৬ আসন কমিটির পরিচালক কামরুল আহসান হাসানসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সর্বস্তরের জনশক্তি ও স্থানীয়দের অংশগ্রহনে গণমিছিল এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।