জটিল সমীকরণে লবী-পরওয়ার

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার ১৪টি ও ফুলতলা উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত খুলনা-৫ আসন। এই আসনটিতে এবারের নির্বাচনে একজন নারী প্রার্থীসহ চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও এই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং বিসিবির সাবেক চেয়ারম্যান ও খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং জিয়া পরিবারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আলী আসগর লবী এই দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে মূল লড়াই হবে। ফলে খুলনাার ছয়টি আসনের মধ্যে এবার সবচেয়ে আলোচনায় এসেছে খুলনা-৫ আসন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খুলনা-৫ আসনে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির একতরফা নির্বাচন ছাড়া আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কখনই জিততে পারেনি বিএনপি। দীর্ঘ ৩০ বছর পর বিএনপি এই আসনটি পুনরুদ্ধার করতে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের বিরুদ্ধে ডুমুরিয়া উপজেলার বাসিন্দা আলী আসগর লবীকে প্রার্থী করেছে।

অপরদিকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে খুলনা-৫ আসন থেকে আওয়ামী লীগের শক্তিশালী প্রার্থী নারায়ণচন্দ্র চন্দকে হারিয়ে জয়লাভ করেছিলেন। এখন সেই মিয়া গোলাম পরওয়ারকে এক সময়ের জোটসঙ্গী বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী আলী আসগর লবীর সঙ্গে ভোটের লড়াই করতে হচ্ছে।

সাধারণ ভোটাররা জানান, আসনটিতে দুটি দলের হেভিওয়েট প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মিয়া গোলাম পরওয়ার জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও এই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। অন্যদিকে আলী আসগর লবী বিসিবির সাবেক চেয়ারম্যান ও খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং জিয়া পরিবারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। ফলে আসনটির জয়-পরাজয় তাদের মর্যাদার লড়াই হওয়ায় আলোচনায় এসেছে।