দুই জেলায় দুর্ঘটনায় সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ নিহত ৪

শেরপুরে সিএনজি ও পিকআপের সংঘর্ষে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ দুজন নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার বেলা ১১টার দিকে শেরপুর-জামালপুর মহাসড়কের শিমুলতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় আরও তিনজন আহত হন। তাদের শেরপুর সদর হাসপাতাল ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা রুকুনুজ্জামান জামালপুরের সরিষাবাড়ীর বাসিন্দা। তিনি শেরপুর পলিটেকনিকেল ইনস্টিটিউটে ইন্সট্রাক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শেরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করার কথা ছিল। নিহত অন্যজনের নাম মাহফুজা। তিনি ঝিনাইগাতী উপজেলার মাটিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। 

শেরপুর সদর থানার ওসি সোহেল রানা বলেন, শিমলতলী বাজারে সিএনজি ও পিকআপের সংঘর্ষে দুজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে বাগেরহাটে মাহেন্দ্র ও পণ্যবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই যুবক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও তিনজন। তাদের উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার গভীর রাতে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের বাগেরহাট সদর উপজেলার চুলকাঠি চালতেতলা এলাকায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। পুলিশ নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। নিহতরা হলেন বাগেরহাটের মোংলার গোয়ালেরমেঠ গ্রামের কাদের খান (২৭) এবং একই উপজেলার দোয়ারিজারা গ্রামের লাবলু মোল্লা (৩০)।

বাগেরহাটের কাটাখালী হাইওয়ে থানার ওসি মো. জাফর আহমেদ বলেন, মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের বাগেরহাট সদর উপজেলার চুলকাঠি চালতেতলা এলাকায় মোংলা থেকে ছেড়ে আসা পণ্যবাহী ট্রাকের সঙ্গে বিপরীত দিক আসা যাত্রীবাহী মাহেন্দ্রের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাহেন্দ্রে থাকা দুই যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। আহত হন তিনজন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে মৃত উদ্ধার করে। আহতদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ট্রাকটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে গেছেন।