সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান

জনগণকে কনভিন্স করাটাই ছিল আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং

বিএনপি চেয়ারম্যান ও আগামীর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অভিষিক্ত হতে যাওয়া তারেক রহমান তার প্রথম সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন। রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত নির্বাচনোত্তর এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি দেশের পররাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি, রাজনীতি ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডসহ নানা বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে এক ভারতীয় সাংবাদিক আগামী সরকারের পররাষ্ট্রনীতি কী হবে জানতে চাইলে তারেক রহমান সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্ট ভাষায় বলেন, আমার দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষার নীতি আমার কাছে অগ্রাধিকার পাবে।

ঠিকানার প্রধান সম্পাদক খালেদ মুহিউদ্দীন প্রশ্ন করেন, ২০০ আসন নিশ্চিত করতে আপনাকে কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং করতে হয়েছে কিনা? জবাবে তারেক রহমান বলেন, জনগণকে কনভিন্স করাটাই ছিল আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং। যাতে আমাদের পক্ষে আসে, আমাদের ভোট দেয়, আমরা সেটাই করেছি। আমরা তাদের মন জয় করেছি।

চীনা সাংবাদিক চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি দেশের জনগণের স্বার্থকে সবার আগে রাখার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি দুই দেশের যৌথ আগ্রহের বিষয়টিও অগ্রাধিকার পাবে বলে জানান তিনি।

আওয়ামী লীগ ইস্যুতে এক বিদেশি সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে তারেক রহমান বলেন, আমরা এটিকে ‘রুল অব ল’ দিয়ে বিবেচনা করতে চাই।

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা ও আগামী দিনের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে এক বাংলাদেশি সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো বিশেষ মহলকে আমরা বাড়তি সুযোগ দিতে চাই না।

সবমিলিয়ে তারেক রহমানের উত্তরগুলো ছিল খুবই সাবলীল, ছোট ও মেদহীন। দীর্ঘ আলোচনা না করে তিনি বক্তব্যে শুধু প্রয়োজনীয় ও সুনির্দিষ্ট বিষয় তুলে ধরেন। তার এই স্পষ্ট ও প্রাঞ্জল ভাষায় দেওয়া উত্তরগুলো নজর কেড়েছে উপস্থিত সবার।