সাইকেল সার্ভিসিং সেন্টার খুলে চোর চক্রের প্রধান তারা

ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বাই সাইকেল সার্ভিসিং সেন্টার খুলে চোরাই সাইকেল বেচাকেনা চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বংশাল থানা পুলিশ।

রাজধানীর বংশাল এলাকায় সক্রিয় রয়েছে একাধিক চক্র বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের নামে একাধিক চোরাই মামলা রয়েছে।

গত শুক্রবার থেকে বংশালের বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক অভিযানে চালিয়ে ১০৫টি চোরাই বাইসাইকেলসহ চোর চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তাররা হলো- সাইফুল ইসলাম সাজু, রাজন, সোহেল, সায়াতুল্লাহ ওরফে আকাশ, আব্দুর রহমান ভিকি ও সীমা।

আজ রবিবার ডিএমপির বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মাহফুজুল হক দেশ রূপান্তরকে বলেন, শুক্রবার মুগদা থেকে বংশালে এক কিশোর তার বাইসাইকেল বিক্রি করতে যান। সেখানে তার সাইকেল নিয়ে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয় রুবেল ও তার সহযোগীরা। ওই কিশোর সেনাবাহিনীকে বিষয়টি জানালে ঘটনাস্থল থেকে সাজু ও রাজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাছে দেয়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের চক্রের অন্যান্য সদস্যদের নাম পাওয়া যায়।

তিনি বলেন, চক্রের সব সদস্যই বাইসাইকেল সার্ভিসিং এর কাজ করে। দোকানে ৮-১০টা সাইকেল রেখে বিক্রি করছে। এর পাশাপাশি গোডাউনে চোরাই সাইকেল রেখে বিক্রি করে আসছিল। তারা চোরাই সাইকেল কিনে ওটা রং করে আবার বাজারে নিয়ে আসে। নাজিম উদ্দিন রোড এলাকা থেকে চোর চক্রের সাথে জড়িত সোহেল, আকাশ ও ভিকিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০১টি চোরাই বাইসাইকেল ও ৪টি বাইসাইকেলের বডি উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া বাইসাইকেলের আনুমানিক বাজার মূল্য ৮ লাখ ৮ হাজার টাকা।

ওসি মাহফুজুল হক বলেন, এ ঘটনায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে বংশাল থানায় একটি চোরাই মামলা হয়েছে। মামলায় তাদের গতকাল আদালতে তোলা হয়। বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছে। আগামীকাল সোমবার তাদের রিমান্ড আবেদন করা হবে। এ ছাড়া চক্রের সদস্য সাজুর নামে ২টি, রাজন, আকাশ ও ভিকির নামে একটি করে এবং সোহেলের নামে ১৩টি চোরাই মামলা রয়েছে।