ভয়েস নেটওয়ার্কের প্রতিবেদন

নির্বাচনে ৪৯% কেন্দ্রে উপস্থিতি ছিল অননুমোদিত ব্যক্তিদের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪৯ শতাংশ কেন্দ্রে অননুমোদিত ব্যক্তিদের উপস্থিতি ছিল। প্রায় ৭ শতাংশ কেন্দ্রে পর্যবেক্ষকদের প্রবেশ ও কাজ করতে বাধা দেওয়া হয়। ৭ শতাংশ কেন্দ্র সঠিকভাবে চিহ্নিত ছিল না। ১১ শতাংশ কেন্দ্রে প্রবীণ ও শারীরিকভাবে অক্ষম ভোটারদের জন্য পর্যাপ্ত সুবিধা ছিল না। ২০ শতাংশ কেন্দ্রে অন্তঃসত্ত্বা নারীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা অনুপস্থিত ছিল। ১১ শতাংশ কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি ছিল অপর্যাপ্ত। প্রায় ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ ক্ষেত্রে নিরাপত্তাকর্মীদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম ভয়েস নেটওয়ার্কের পর্যবেক্ষণের প্রাথমিক প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে। গতকাল সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি তাদের প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সংগঠনের নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও ইমপ্যার ইনিশিয়েটিভের সিইও এনায়েত হোসেন জাকারিয়া এবং রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং কো-অর্ডিনেটর বুরহান উদ্দীন। প্রতিবেদনে বলা হয়, ৪ শতাংশ কেন্দ্রে কোনো এক পক্ষের পোলিং এজেন্ট অনুপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন আসনে এজেন্ট বের করে দেওয়া, ব্যালট ছিনতাই ও চুরির অভিযোগ পাওয়া যায়। ৮ শতাংশ কেন্দ্রে ভোটার পরিচয় যাচাই যথাযথভাবে হয়নি। ৪ শতাংশ কেন্দ্রে জালভোটের অভিযোগ রয়েছে। ৫ দশমিক ৮ শতাংশ কেন্দ্রে ভোটার হুমকি ও ভয়ভীতির কারণে ভোট দিতে পারেননি।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন ভয়েস নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জসিম উদ্দীন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সেক্রেটারি একরামুল হক সায়েম।