কালিয়াকৈরে চলন্ত বাসে ডাকাতি, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৬

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে চলন্ত বাসে ডাকাতির সময় আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

সোমবার রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার চন্দ্রা এলাকার ওয়ালটন হাইটেক গেট সংলগ্ন থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মানিকগঞ্জের শিবালয় থানার ধূসর নয়াবাড়ী এলাকার মোস্তফা মোল্লার ছেলে সাইফুল ওরফে মুসা (২৩), একই জেলার দৌলতপুর থানার লাউতরা এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে আলমগীর ওরফে আলম (৩৮), একই থানার বড় লাউতরা এলাকার নুর ইসলামের ছেলে জসিম ওরফে রাফি (২৩), থানার আমতলী এলাকার মেহের আলীর সাজু রহমান ওরফে সবুজ (২৩), রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি থানার কামারদা এলাকার মৃত মান্নান মিয়ার ছেলে মিলন মিয়া (৩০), ও ঢাকার সাভার থানার টান গেন্ডা এলাকার শরিফুজ্জামান ওরফে শরীফ (২৮)।

পুলিশ সুত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে ঢাকার গাবতলী থেকে আন্তঃজেলা একটি বাসে উঠে যাত্রীবেশে একদল সংঘবদ্ধ ডাকাত দল। পরে তারা ওই বাসের চালক ও যাত্রীদের জিম্মি করে ডাকাতির চেষ্টা করে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ১০টার দিকে স্পেশাল ডিউটিতে থাকা কালিয়াকৈর থানা পুলিশের এসআই জাহাঙ্গীর আলম ও এএসআই (নিঃ) আজিজুরসহ সঙ্গীয় ফোর্স ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় ওই বাসটি ওয়ালটন হাইটেক কারখানার ১নং গেইটের সামনে চেকপোষ্ট স্থাপন করে ঢাকার দিক থেকে আসা বাসগুলোতে নজরদারি শুরু করে।

এক পর্যায়ে রাত ১২টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা রংপুরগামী নিউ পিংকি স্পেশাল বাসটি (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-০৪৭৪) ওই চেকপোষ্টে থামায় পুলিশ। এ সময় তল্লাশি চালানোর জন্য পুলিশ ওই বাসে উঠলে আন্তঃজেলা সংঘবদ্ধ ডাকাত দল জানালা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। ডাকাত দলের সদস্য মূসা, আলম, রাফি, সবুজ, মিলন ও শরীফ নামে ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এছাড়াও ডাকাত দলের আরো ৫/৬ জন সদস্য পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। 

এ সময় তাদের সাথে থাকা একটি প্লাস্টিকের বাজারের ব্যাগের ভিতর রক্ষিত ৫টি চাকু ১টি ধূসর সাদা রংয়ের চওড়া কসটেপ উদ্ধার করা হয়।

এ ব্যাপারে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাসির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের মঙ্গলবার দুপুরে গাজীপুর জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে তাদের নামে বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি মামলা রয়েছে।