গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অধ্যাদেশের বিধান অনুযায়ী নির্বাচন সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে আবেদনের ওপর শুনানি ও নিস্পত্তি করতে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্টে একটি নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে গঠন করা হয়েছে।
বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক একটি বেঞ্চে এসব আবেদনের ওপর শুনানি হবে। গত মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির নির্দেশে এই ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় এই বেঞ্চে অন্যান্য দেওয়ানি এখতিয়ারের সঙ্গে ‘২০০১ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ মোতাবেক ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র; যে সব বিষয় এই বেঞ্চে স্থানান্তরিত হইবে এবং উপরোল্লিখিত (অন্যান্য দেওয়ানি মামলা) বিষয়াদি সংক্রান্ত রুল, আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানি করিবেন।’
সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের পরই নির্বাচনী অভিযোগের বিষয়ে শুনানির জন্য একটি বেঞ্চ নির্দ্দিষ্ট করে দেওয়া হয়। এটি আইনেই বিধান আছে এবং আইনের বিধান অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি একটি বেঞ্চকে দায়িত্ব দিয়েছেন।’ গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট জারির ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন ২৯৭ আসনের বেসরকারি ফল ঘোষণার পর ১৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।