২০২৪ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে আর দেশে ফিরতে পারেননি সাকিব আল হাসান। দেশের মাটিতে ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর কথা বারবার বললেও রাজনৈতিক কারণে সেটা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে এসেছে নতুন নির্বাচিত সরকার। তাই সাকিবের প্রত্যাবর্তন নিয়ে ফের শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। বিসিবি এবং নবনির্বাচিত সরকার বিষয়টি নিয়ে আন্তরিক। বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবরও জানালেন, সাকিবের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলো নিয়ে এখন পর্যালোচনা চলছে। দ্রুতই তার মামলা সংক্রান্ত কাগজপত্র সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তারপর সরকার সিদ্ধান্ত নেবে সাকিবের বিষয়ে।
মার্চের মাঝামাঝি পাকিস্তানের বিপক্ষে সাদা বলের হোম সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। বোর্ডে গুঞ্জন, ওই সিরিজে সাকিবকে ফেরানোর চেষ্টা চলছে। বর্তমানে নিরাপত্তা এবং আইনি বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত শুক্রবার একটি টকশোতে আসিফ আকবর বলেন, ‘সাকিবের সঙ্গে আমার নিয়মিত কথা হয়। সর্বশেষ যখন আমি আমেরিকায় গিয়েছিলাম সেখানেও কথা হয়েছে। সাকিব বলেছে সে খেলতে চায়। এরপর বোর্ড পরিচালকদের সবার সম্মতিক্রমে আমরা সাকিবকে বাংলাদেশ দলে চেয়েছি।’
পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক সাংসদ সাকিবের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি থেকে শুরু করে খুনের মামলা পর্যন্ত হয়েছে। এসব মামলা ও আইনি বিষয় নিয়ে আসিফ বলেন, ‘সাকিবের মামলা বা অন্যান্য যা রয়েছে সেগুলো নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছি। সেগুলো নিয়ে তার আইনজীবী যোগাযোগ করেছে বিসিবির সঙ্গে। আমরা খুব দ্রুততম সময়ে খুব সম্ভবত রবিবার-সোমবারে মামলার ফাইলগুলো পৌঁছে দেব। পরবর্তী দায়িত্ব সরকারের। আশা করছি রবি-সোমবারের মধ্যে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর মাধ্যমে সরকারের কাছে পৌঁছে দেব সাকিবের কেসের ফাইলগুলো।’