একই এলাকায় আবারও মাঝারিমাত্রার ভূমিকম্প হলো। গত ৩ ফেব্রুয়ারি ১৭ মিনিটের ব্যবধানে দুই দফা শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর গতকাল বুধবার রাত ১০টা ৫১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডে ৫ দশমিক ৫ রিকটার (ভারতীয় সিসমোলজি সেন্টারের মতে) স্কেলের ভূমিকম্প হয়েছে মিয়ানমারে। তবে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এর মাত্রা ৫ দশমিক ১ রিখটার স্কেল নির্ধারণ করেছে। এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশের বান্দরবান সীমান্তের ১৬ কিলোমিটার পূর্বে। আর এতে বৃহত্তর চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়।
ভারতীয় সিসমোলজি সেন্টারের তথ্যমতে, মিয়ানমারে মাটির ১২০ কিলোমিটার গভীরে ৫ দশমিক ৫ রিখটার স্কেলের ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়েছে। উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি ১৭ মিনিটের ব্যবধানে ৬ রিখটার স্কেলের ভূমিকম্পের পর ৫ দশমিক ৩ রিখটার স্কেলের ভূমিকম্প হয়েছিল একই এলাকায়। গতকাল আবারও একই এলাকায় ভূমিকম্প হলো। ভূমিকম্পের কারণে চট্টগ্রাম অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয় এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ প্রসঙ্গে ভূমিকম্প নিয়ে আমেরিকায় পিএইডি গবেষণারত বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ভূতত্ত্ব) আখতারুল আহসান দেশ রূপান্তরকে বলেন, গতকালের ভূমিকম্পটি যে স্থানে উৎপত্তি হয়েছে এখানে একটি ফল্ট লাইন রয়েছে। এ পয়েন্টে আমাদের ইন্ডিয়ান প্লেট মিয়ানমার প্লেটের নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে। এখানে এ ধরনের ভূমিকম্প হওয়া স্বাভাবিক ঘটনা।