রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নির্জন সরদারকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগের মামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা আবদুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান ওরফে রিয়াদকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। একই মামলায় তার সঙ্গে আরও তিনজনকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি এ আদেশ দেন। অপর তিন আসামি হলেন প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মো. রিয়াদুল হাওলাদার, মো. আলিফ আহম্মেদ আশিক ও সায়েম শিকদার। গত বছরের ২৬ জুলাই রাজধানীর গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় চাঁদা দাবির ঘটনায় গ্রেপ্তার হন রিয়াদ। হত্যাচেষ্টা মামলায় গত বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ রিয়াদসহ অন্যদের গ্রেপ্তার করে।
গতকাল হত্যাচেষ্টা মামলায় আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরমান আলী। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিনের আরজি জানান। আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়ে ১ মার্চ জামিন শুনানির দিন ধার্য করেন। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, নির্জন সরদারের সঙ্গে রিয়াদ ও তার বন্ধুদের পূর্বশত্রুতা ছিল। গত বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির চতুর্থ তলার ৪১২ নম্বর কক্ষে আসামিদের সঙ্গে নির্জনের দেখা হয়। এ সময় আসামিরা নির্জনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস ও সমাবর্তনে অংশগ্রহণের বিষয়ে কথা বলেন। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. আনিসুর রহমানের সঙ্গে পরামর্শ করার এক পর্যায়ে আবদুর রাজ্জাকের নির্দেশে রিয়াদুল ও সায়েম চেয়ার দিয়ে নির্জনের পিঠে ও বুকে আঘাত করেন। এ ঘটনায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে গুলশান থানায় হত্যা চেষ্টা মামলা করেন নির্জন সরদার।