চীনে সেনা কর্মকর্তাসহ ১৯ জন বরখাস্ত

আগামী সপ্তাহে চীনে শুরু হতে যাচ্ছে সরকারের সবচেয়ে বড় বার্ষিক রাজনৈতিক অধিবেশন। এর ঠিক আগ মুহূর্তে দেশটির ১৯ কর্মকর্তাকে আইনপ্রণেতাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীরই ৯ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা রয়েছেন। চীনের সর্বোচ্চ আইনসভা ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের (এনপিসি) স্থায়ী কমিটি এই কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। কেন তাদের সরিয়ে দেওয়া হলো, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কারণ জানানো হয়নি; তবে প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এবং উচ্চপদস্থ জেনারেল ঝাং ইউজিয়াকে পদচ্যুত করার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

২০১৩ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই শি জিন পিং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ‘শুদ্ধি অভিযান’ শুরু করেন। তিনি দুর্নীতিকে কমিউনিস্ট পার্টির জন্য ‘সবচেয়ে বড় হুমকি’ হিসেবে উল্লেখ করে আসছেন। এই অভিযানে তিনি উচ্চপদস্থ নিম্নপদস্থ কাউকেই ছাড় দিচ্ছেন না। যদিও অনেক সমালোচক মনে করেন, দুর্নীতির দোহাই দিয়ে শি জিন পিং আসলে তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সরিয়ে নিজের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করছেন। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরিয়ে দেওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) গ্রাউন্ড ফোর্সের কমান্ডার লি কিয়াওমিং এবং নৌবাহিনীর সাবেক কমান্ডার শেন জিনলং। এ ছাড়া তালিকায় বেশ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা এবং ইনার মঙ্গোলিয়া অঞ্চলের সাবেক দলীয় প্রধান সান শাওচংয়ের নামও রয়েছে।