প্রতিপক্ষ যতই দুর্বল হোক, সহজে জয় পায়নি ম্যানচেস্টার সিটি। তবে শিরোপা লড়াইয়ে টিকে থাকতে হলে এমন ম্যাচ জিততেই হয়। অঁতোয়ান সেমেনিওর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে করা একমাত্র গোলেই লিডস ইউনাইটেডকে ১-০ গোলে হারিয়েছে পেপ গার্দিওলার দল। এই জয়ে প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে থাকা আর্সেনালের সঙ্গে ব্যবধান কমিয়ে দুই পয়েন্টে এনেছে সিটি।
অনুশীলনে চোট পাওয়ায় লিডসে জন্ম নেওয়া তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ডকে ছাড়াই মাঠে নামে সিটি। শুরুর দিকে সেটির প্রভাবও দেখা যায়। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই সুবর্ণ সুযোগ পান ডমিনিক ক্যালভার্ট-লুইন। ব্রেন্ডেন অ্যারনসনের ক্রস থেকে আট গজ দূর থেকে শট নিলেও বল বাইরে পাঠান তিনি।
কিছুক্ষণ পর আবারও কোণাকুণি শটে লক্ষ্যভ্রষ্ট হন ক্যালভার্ট-লুইন। শুরুতে দারুণ ছন্দে থাকা লিডস গোল না পাওয়ায় আক্ষেপ বাড়ে। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগে ৪৭মিনিটে একমাত্র গোলটি আসে। রায়ান আইত-নুরির নিচু ক্রসে পা বাড়িয়ে বল জালে পাঠান সেমেনিও। জানুয়ারিতে বোর্নমাউথ থেকে যোগ দেওয়ার পর এটি সিটির হয়ে তাঁর ষষ্ঠ গোল।
এই গোলটিই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়। দ্বিতীয়ার্ধে লিডস সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায়। জেমস জাস্টিনের শট জিয়ানলুইজি দোন্নারুমা আটকে দেন। বদলি ইয়াকা বিজোল শেষ দিকে হেড করেও লক্ষ্যভ্রষ্ট হন। অন্যদিকে সিটির নিকো ও’রেইলি প্রায় গোল পেয়ে যাচ্ছিলেন, কিন্তু কার্ল ডার্লোর দুর্দান্ত সেভে রক্ষা পায় লিডস।
মৌসুমে আর ১০ ম্যাচ বাকি। সিটি এখন পুরোপুরি শিরোপা লড়াইয়ে। রবিবার চেলসির বিপক্ষে আর্সেনালের ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকবে তারা। অন্যদিকে লিডস ইউনাইটেড অবনমন অঞ্চলের ছয় পয়েন্ট ওপরে থাকলেও সুযোগ হাতছাড়া করার হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়ে।