বেশ কিছুদিন হলো নতুন সিনেমার শুটিংয়ে নেই ঢালিউডের মিষ্টি মুখের তরুণ নায়িকা অধরা খান। নেই নতুন সিনেমার মুক্তি। তারপরও দেশের সিনেমাকে ভীষণ ভালোবাসেন এবং চলচ্চিত্রকে ঘিরেই তার সব ধ্যান ধারণা ও চিন্তা চেতনা। নতুন সরকারের কাছেও অনেক প্রত্যাশা তার। অধরা চান নতুন সরকার যেন চলচ্চিত্রের প্রতি বিশেষভাবে মনোযোগ দেয়, সজাগ দৃষ্টি রাখে। নায়িকার ভাষ্য, ‘এরই মধ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে প্রথমেই একুশে পদক পুরস্কার প্রদান করেছে। যদিও ঘোষণা ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের সময়। কিন্তু আমাদের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে পদকপ্রাপ্তরা একুশে পদক গ্রহণ করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের বাংলা চলচ্চিত্রের জীবন্ত কিংবদন্তি অভিনেত্রী শ্রদ্ধেয় ববিতা ম্যাডাম একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন। এটা আমাদের চলচ্চিত্র পরিবারের জন্য ভীষণ গর্বের বিষয়। আশা করছি আগামীতেও একুশে পদক, স্বাধীনতা পদক প্রদানে রাষ্ট্র আমাদের কিংবদন্তি শিল্পীদের দেশ ও দেশের সংস্কৃতির প্রতি তাদের বিশেষ অবদানকে বিশেষভাবে যেন বিবেচনা করে। তবেই আমাদের শিল্পীরা নিজেদের পেশাগত কাজে ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত হবেন। আমরা যারা জুনিয়র আছি আমরা আমাদের দিকপালদেরই অনুসরণ করছি, আগামীতেও তাই করব। কারণ তাদের অবদানের কারণেই আমাদের চলচ্চিত্রাঙ্গন আজও আলোকিত।’
বর্তমানে পারিবারিক ব্যবসার কাজে কানাডাতে অবস্থান করছেন অধরা খান। সেখানে তিনি একটি সিরিজে অভিনয় করেছেন। বিজ্ঞাপনেও মডেল হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। অধরা মুক্তি প্রতিক্ষিত দুটি সিনেমা ছাড়া আরও কিছু সিনেমাতে অভিনয় করেছিলেন। যেমন ‘গিভ অ্যান্ড টেক’, ‘উন্মাদ’, ‘ঠোকর’, ‘বাটপার’, ‘দ্য রাইটার’ প্রভৃতি।
অধরা অভিনীত নতুন দুটি সিনেমা রয়েছে মুক্তির অপেক্ষায়। একটি সৈয়দ ওযাহিদুজ্জামান ডায়মন্ডের ‘দখিন দুয়ার’ অন্যটি জাহিদ হোসেনের ‘ঋতুকামিনী’। দুটি সিনেমাতেই গল্পের অন্যতম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। তার অভিনীত সিনেমাগুলো হচ্ছে ‘নায়ক’, ‘মাতাল’, ‘পাগলের মতো ভালোবাসি’, ‘ সুলতানপুর’।