মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ ও উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। বৈশ্বিক তেল ও এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) সরবরাহের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালি ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের দাম লাফিয়ে বাড়ছে। এরই মধ্যে গতকাল সোমবার সাময়িকভাবে এলএনজি উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করেছে কাতার।
এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ব অর্থনীতির পাশাপাশি আমদানিনির্ভর দেশগুলো বিশেষ করে বাংলাদেশের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এতে বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহ, বিদ্যুৎ উৎপাদন, মূল্যস্ফীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার ওপর নতুন চাপ তৈরি হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সরবরাহে অনিশ্চয়তা দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে আরও অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাৎক্ষণিক সরবরাহ নিয়ে বড় সংকট না থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে দামের চাপ। এটি শুধু জ্বালানি খাত নয় বিদ্যুৎ, শিল্প, কৃষি, মূল্যস্ফীতি ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে বহুমাত্রিক চাপ তৈরি করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশীয় জ্বালানি অনুসন্ধানে জোর দেওয়ার পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ এবং জ্বালানি ব্যবহারে দক্ষতা বাড়াতে হবে। সেই সঙ্গে বাড়াতে হবে জ্বালানি মজুদ সক্ষমতা। এক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি চুক্তি বাড়ানো এবং বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করাও জরুরি।
বিশ্ববাজারে হঠাৎ দামের লাফ : সংঘাত তীব্র হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের অন্যতম মানদ- ব্রেন্ট ক্রুডের দাম গতকাল প্রতি ব্যারেলে আগের চেয়ে ১০ শতাংশ বেড়ে ৮২ মার্কিন ডলারের ওপরে উঠে গেছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাস পরিবহনের ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। সারা বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল-গ্যাস ওই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।
কিন্তু ইরানে হামলা শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল হুমকির মুখে পড়েছে। দেশটির দক্ষিণে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ ওই জলপথ দিয়ে নৌযান চলাচল না করার জন্য সতর্ক করেছে তেহরান। এতে ওই প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে, যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে তেলের বাজারে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে জ্বালানির দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্লেষকরা।
সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ট্যাংকার চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলো বিকল্প পথে জাহাজ ঘুরিয়ে নিচ্ছে। এতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ছে। একই সঙ্গে বেড়েছে জাহাজের বীমা ব্যয়। এসব অতিরিক্ত খরচ শেষ পর্যন্ত জ্বালানির দামের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।
গ্যাস সরবরাহে বাড়ছে উদ্বেগ : যুদ্ধের প্রভাবে ইউরোপে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। কাতারের প্রধান গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্র রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে হামলার পর গতকাল সাময়িকভাবে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করেছে কাতার।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গ্যাস কমপ্লেক্স রাস লাফানে মোট ১৪টি এলএনজি ‘ট্রেন’ পরিচালিত হয়, যার সম্মিলিত বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ৭ কোটি ৭০ লাখ টন। এই বিপুল সক্ষমতার কারণেই কাতার বৈশ্বিক এলএনজি বাজারের শীর্ষ সরবরাহকারী দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। ফলে উৎপাদন বন্ধের ঘোষণার পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
কাতারের এই সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগে রয়েছে আমদানিনির্ভর দেশগুলো। তার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে ঝুঁকির তালিকায়। দেশে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ২৬০ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুটের মধ্যে ওঠানামা করে। এর মধ্যে প্রায় ৯৫ কোটি ঘনফুটই আসে আমদানিকৃত এলএনজি থেকে।
পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৬০ লাখ টন এলএনজি আমদানি করে ১১৫টি কার্গোর মাধ্যমে। এর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় প্রায় ৪০ লাখ টন সরবরাহ করে কাতার। বাকি বড় অংশ আসে ওমান থেকে, সেটিও দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায়। পাশাপাশি চাহিদা মেটাতে খোলাবাজার থেকেও এলএনজি কেনা হয়, যেখানে দাম তুলনামূলক বেশি এবং অস্থির।
বর্তমানে মহেশখালীতে স্থাপিত দুটি ভাসমান টার্মিনালের মাধ্যমে সমুদ্রপথে আসা কার্গো থেকে এলএনজি গ্যাসে রূপান্তর করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। মার্চ মাসে মোট ১১টি কার্গো আসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ৯টি ইতিমধ্যে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এলাকা এড়িয়ে নিরাপদে গন্তব্য অতিক্রম করেছে।
আজ মঙ্গলবার কার্গো এবং তার দুদিন পর কাতার থেকে আরও একটি কার্গো পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সমুদ্রে এখনো ২ থেকে ৩টি কার্গো অবস্থান করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের বিপর্যয় না ঘটলেও পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সরকার।
তবে জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, কোনো একটি কার্গোর সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটলে দেশে গ্যাস সংকট দ্রুত তীব্র আকার নিতে পারে। কারণ পাইপলাইনের দেশীয় গ্যাস উৎপাদন আগের তুলনায় কম। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ইতিমধ্যে স্বল্পচাপের সমস্যা প্রকট হয়েছে। বহু এলাকায় দিনের বেশিরভাগ সময় চুলায় আগুন জ্বলছে না, শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. এরফানুল হক দেশ রূপান্তরকে বলেন, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় আমদানি করা যেসব কার্গো ১৫ তারিখের মধ্যে আসার কথা সেগুলো ইতিমধ্যে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ১৫ থেকে ১৮ তারিখের মধ্যে ১-২টা কার্গো নিয়ে সংকট তৈরি হতে পারে। সেক্ষেত্রে আমরা সরবরাহকারীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি কীভাবে বিকল্প উপায়ে এলএনজি আমদানি করা যায়।
‘চলতি মাসে খোলাবাজার থেকে এলএনজি আমদানির কোনো পরিকল্পনা নেই। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে তখন এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। সেক্ষেত্রে খোলাবাজার থেকে এলএনজি আমদানি বা বিকল্প উপায়ে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে,’ বলেন তিনি।
তাৎক্ষণিক সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হচ্ছে দামের চাপ। দেশের মোট জ্বালানির বড় অংশ আমদানি করতে হয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লেই বাড়ে আমদানি ব্যয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের হিসাবে, তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৫ ডলার বাড়লে বছরে অতিরিক্ত কয়েক হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা প্রয়োজন হয়। এ অবস্থায় এলসি খোলা কঠিন হওয়ার পাশাপাশি অস্থিরতা বাড়তে পারে ডলারের বাজারে। সঙ্গে বাড়তে পারে জ্বালানি খাতে ভর্তুকির চাপ।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ না হলেও বড় ঝুঁকি হচ্ছে দামের ধাক্কা। যুদ্ধ দীর্ঘ হলে তা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। বিশেষ করে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়া ও বাজেট ঘাটতি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বাড়তে পারে আমদানি ব্যয় : গত বছর এলএনজি আমদানিতে সরকারের ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বৈশ্বিক বাজারে দাম বাড়লে এ ব্যয় আরও বৃদ্ধি পাবে। এতে একদিকে বাজেটের ওপর চাপ বাড়বে, অন্যদিকে ভর্তুকি বাড়ানো না হলে শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে মূল্য সমন্বয়ের চাপ তৈরি হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কাতারে উৎপাদন বন্ধ দীর্ঘায়িত হলে স্পট বাজার থেকে বেশি দামে এলএনজি কিনতে বাধ্য হবে বাংলাদেশ। এতে আমদানি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে এবং বৈদেশিক মুদ্রার ওপর নতুন চাপ তৈরি হবে।
জ্বালানি তেলে আপাতত স্বস্তি থাকলেও ভবিষ্যতে শঙ্কা : বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, দেশে প্রায় ৪০ দিনের জ্বালানি তেল মজুদের সক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে মজুদ রয়েছে মাত্র ১৫ দিনের। এ ছাড়া সমুদ্রপথে এবং খালাস হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে আরও ২০ থেকে ২৫ দিনের জ্বালানি তেল।
সরকার জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ২৮ লাখ ২০ হাজার টন তেল আমদানির অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে ২৪ লাখ ২০ হাজার টন উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, চীন ও ইন্দোনেশিয়া থেকে এবং ১৪ লাখ টন সরকার-টু-সরকার চুক্তিতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করা হবে।
পরিশোধিত জ্বালানি তেল এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে আসায় এ ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালির নির্ভরতা নেই এবং জুন পর্যন্ত সরবরাহ নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো সংকট দেখছে না বিপিসি। তবে অপরিশোধিত তেলের দীর্ঘমেয়াদি উৎস মধ্যপ্রাচ্য হওয়ায় সংঘাত দীর্ঘ হলে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থা হিসেবে ফুজাইরাহ টার্মিনাল ব্যবহারের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে, যার মাধ্যমে বছরে ১৪-১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত এবং জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি খুব জটিল হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ, শিল্প ও রপ্তানিতে প্রভাব : দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের বড় অংশ গ্যাসনির্ভর। এলএনজির দাম বাড়লে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যেতে পারে। তখন তুলনামূলক ব্যয়বহুল ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎ বাড়াতে হবে, যা উৎপাদন খরচ বাড়াবে। শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব পড়তে পারে গ্রাহক পর্যায়ের বিদ্যুতের দামে।
পাশাপাশি গ্যাস সরবরাহ কমে গেলে শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। এতে রপ্তানি আদেশ সময়মতো সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতের মতো জ্বালানিনির্ভর শিল্পগুলো বেশি ঝুঁকিতে থাকবে।
জ্বালানির দাম বাড়লে এর প্রভাব পড়ে পুরো অর্থনীতিতে। পরিবহন ব্যয় বাড়ে। কৃষি উৎপাদন ও শিল্পকারখানার ব্যয় বাড়ে। ফলে বাজারে ঝুঁকি তৈরি হয় পণ্যের দাম বাড়ার। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
এলএনজি আমদানিতে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির পরিধি বাড়ানো এবং বিকল্প উৎস, যেমন আফ্রিকা বা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে চুক্তি বিবেচনায় নেওয়ার পাশাপাশি কৌশলগত মজুদ সক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন আশা করেন শিগগির যুদ্ধ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। সেক্ষেত্রে জ্বালানি নিয়ে তেমন একটা সমস্যা হবে না বাংলাদেশের। এক্ষেত্রে এলএনজি সরবরাহে কিছুটা বিঘœ হলেও হতে পারে।
গতকাল রাতে তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, দুই সপ্তাহের মধ্যে সংঘাত বন্ধ না হলে সব ধরনের জ্বালানি সরবরাহে বড় সংকট হবে। পাশাপাশি ব্যয়ও বাড়বে।
ভবিষ্যতে এমন জটিল পরিস্থিতি এড়াতে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় জ্বালানি অনুসন্ধানে জোর দেওয়ার পাশাপাশি অন্তত ৩ মাসের মজুদ সক্ষমতা বৃদ্ধির পরামর্শ দিয়েছেন এই জ্বালানি বিশেষজ্ঞ।