বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যে সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার লক্ষ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আস্থার ভিত্তিতে একসঙ্গে কাজ করার ওপর বিশেষভাবে জোর দেওয়া প্রয়োজন। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সচিবালয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সৌজন্য সাক্ষাতে এ বিষয়ে কথা হয়।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে যৌথ আত্মত্যাগের ওপর ভিত্তি করে দুদেশের মধ্যে গড়ে ওঠা দৃঢ় বন্ধনের বিষয়টিও তাদের আলোচনায় আসে।
হাইকমিশনার ভার্মা গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতের পর হাইকমিশনার সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে জনমুখী সব বিষয়ে ভারত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী।
হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক দুদেশের জনগণের সঙ্গে জনগণের বন্ধনের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। পারস্পরিক স্বার্থ ও কল্যাণের ভিত্তিতে সব ক্ষেত্রে জনগণকেন্দ্রিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী দৃষ্টিভঙ্গিতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে ভারত প্রস্তুত রয়েছে।
মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় উভয় দেশের অভিন্ন অগ্রাাধিকার হিসেবে স্থানীয় সরকার কাঠামো ও পল্লী উন্নয়নকে জোরদার করার লক্ষ্যে সহযোগিতা বাড়ানোসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এসেছে।
তারা গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষি সমবায় ও তৃণমূল পর্যায়ে আর্থিক ক্ষমতায়নের মতো ক্ষেত্রগুলোতে দ্বিপক্ষীয় সম্পৃক্ততা শক্তিশালী করার বিষয়ে কথা বলেন।