আসামিপক্ষ তদবির করায় আদালত বিব্রতবোধ করে রায়ের তারিখ পিছিয়েছেন বিচারক। বুধবার (৪ মার্চ) ঢাকা নবাবগঞ্জ উপজেলার কৈলাইল ইউনিয়নের ব্যবসায়ী গোলাপ হোসেন পিংকু হত্যার মামলার রায়ের জন্য দিন ধার্য ছিল।
ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এজলাসে উঠে বলেন, আসামিপক্ষ থেকে তার কাছে তদবির করা হয়েছে। এ কারণে তিনি বিব্রতবোধ করেছেন। তাই রায়ের তারিখ পিছিয়ে ৩১ মার্চ নতুন দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন— অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান ওরফে মতি, তার বোন মরিয়ম বেগম, তার স্বামী লুৎফর, ভাই মোখলেছ ও চান মিয়া ওরফে জাহিদ, জাহিদের স্ত্রী মেরী, আনিছ মাস্টার, বাবুল, সিরাজ, আমির, এনামুল করিম শাহীন, আমানুর, সাইজউদ্দিন, শফিকুল, হযরত, রিংকু, শরিফ, আওলাদ, কাদের, নেকবর, হাফিজ উদ্দিন, শিবলু। আসামিদের মধ্যে হযরত, রিংকু ও সিরাজ পলাতক রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, পিঙ্কুর সঙ্গে মতিউর রহমান, তার বোন মরিয়মসহ অন্যান্য আসামিদের একাধিক মামলা-মোকদ্দমাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শত্রুতা ছিল। মতিউর রহমান ও মরিয়মের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় ২০১৭ সালের ২৬ মার্চ বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে পিঙ্কু মালিকান্দার চকে যাওয়ার পথে আসামিরা এলাকার ধানক্ষেতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।
ভুক্তভোগীর ছোট ভাই মো. এরশাদ পরদিন নবাবগঞ্জ থানায় এ মামলাটি করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন একই বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ২২ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন আদালতে। ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত বাদী পক্ষে ২৮ জন সাক্ষী ও আসামি পক্ষের ২ জন সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।