শিল্পীদের রেষারেষি-দ্বন্দ্ব

অভিনয়শিল্পী সংঘের কড়া বার্তা

নাটকের শুটিং সেটে প্রায়ই নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার মারধরের ঘটনা ঘটেছে মানিকগঞ্জের একটি শুটিং সেটে। অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে নিজেকে মারধরের অভিযোগ তুলেছেন তরুণ অভিনেত্রী সামিয়া অথৈ। গত মঙ্গলবার ফেসবুক লাইভে এসে এ অভিযোগ করেন তিনি। পরে অবশ্য বিষয়টি ভিন্ন বলে দাবি করেছেন তানজিন তিশা। তার দাবি, চরিত্রের প্রয়োজনে চড় মেরেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে সাধারণ শিল্পীদের মধ্যে এক ধরনের অস্বস্তি কাজ করছে। তবে সামাজিক মাধ্যমে লাইভে এসে অভিযোগ ভালোভাবে নেয়নি ছোটপর্দার অভিনয়শিল্পীদের সংগঠন ‘অভিনয়শিল্পী সংঘ’।

একদিন পর একই প্রেক্ষিতে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে সংগঠনটি। গতকাল বুধবার অভিনয়শিল্পী সংঘের সভাপিত আজাদ আবুল কালাম ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে সব শিল্পীদের সতর্ক করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশের সব সদস্যের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, একজন পেশাজীবী হিসেবে স্ব-সংগঠনের অথবা অন্যান্য বন্ধুপ্রতিম সংগঠনসমূহের কোনো সদস্যের সঙ্গে কোনো প্রকার জটিলতা বা মতভেদ সৃষ্টি হলে তা সংশ্লিষ্ট সংগঠনকে অবহিত না করে, উপরন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা গণমাধ্যমে প্রচার করা অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশের আচরণবিধির পরিপন্থী।’

সাংগঠনিক কাঠামো ও আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো জটিলতা সমাধান করা সম্ভব এমনটা উল্লেখ করে বলা হয়, ‘এহেন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পারস্পরিক আলোচনা, প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ও সাংগঠনিক কাঠামোর মধ্যদিয়েই সমাধান হওয়া উচিত বলে আমরা বিশ্বাস করি। কেননা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ঘটনা একতরফাভাবে উপস্থাপিত হলে তা একদিকে যেমন সামাজিকভাবে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী সমাজের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে, অন্যদিকে অনাকাক্সিক্ষত বিভ্রান্তি ও নেতিবাচকতা ছড়িয়ে দিতে পারে।’

সবশেষে বলা হয়, ‘অতএব, উল্লিখিত ক্ষেত্রে কোনো সদস্যের আচরণবিধি লঙ্ঘিত হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে যে কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হতে পারে।’