আমাদের অনেকের ধারণা ত্বক যদি তৈলাক্ত হয় তার অর্থ তা নিশ্চয়ই হাইড্রেটেড। কিন্তু বাস্তব হলো ত্বকের ডিহাইড্রেশন যেকোনো স্কিন টাইপেই হতে পারে, শুষ্ক, মিশ্র বা তৈলাক্ত। ডিহাইড্রেটেড ত্বক মানে ত্বকের ভেতরে পানির অভাব। এই সমস্যা দীর্ঘদিন উপেক্ষা করলে ত্বক নিস্তেজ, সংবেদনশীল ও সময়ের আগেই বয়স্ক দেখাতে পারে। তাই লক্ষণগুলো চেনা এবং সময় মতো সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
ত্বকে টানটান ভাব
মুখ ধোয়ার পর যদি ত্বক অতিরিক্ত টানটান লাগে, তবে সেটি পানির অভাবের ইঙ্গিত হতে পারে। ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ও আর্দ্রতা কমে যাওয়ার ফল এটি।
নিস্তেজ ও ক্লান্ত চেহারা
ডিহাইড্রেটেড ত্বক সাধারণত উজ্জ্বলতা হারায়। মুখে স্বাভাবিক প্লাম্পনেস বা টানটান ভাব থাকে না, ফলে ত্বক ফ্ল্যাট ও ক্লান্ত দেখায়।
সূক্ষ্ম রেখা বেশি চোখে পড়ে
ত্বকে পানির অভাব হলে ফাইন লাইন বা ছোট ছোট ভাঁজ বেশি স্পষ্ট হয়, বিশেষ করে চোখ ও ঠোঁটের আশপাশে।
হঠাৎ সংবেদনশীল হয়ে পড়ে
যে স্কিনকেয়ার প্রোডাক্ট আগে মানাত, সেটি হঠাৎ জ¦লা বা চুলকানি সৃষ্টি করলে বুঝতে হবে ত্বকের ব্যারিয়ার দুর্বল হয়ে পড়েছে।
অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ
অদ্ভুত হলেও সত্যি, ত্বকে পানির ঘাটতি হলে শরীর সেই ঘাটতি পুষিয়ে নিতে বেশি তেল উৎপাদন করতে পারে। এতে রোমছিদ্র বন্ধ হয়ে ব্রণও হতে পারে।