গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি

শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া

সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়। আগামীকাল রবিবার ওসমানী মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের অনুষ্ঠানে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হবে। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আপসহীন সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে অদম্য নেতৃত্ব প্রদান এবং গণতান্ত্রিক ধারা প্রতিষ্ঠায় খালেদা জিয়া অসামান্য অবদান রাখায় তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। শুধু রাজনৈতিক অঙ্গনেই নয়, বরং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিকূলতা জয় করা নারীদের কাজের মূল্যায়ন করতে এবার পাঁচটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে আরও পাঁচজন অদম্য নারীকে এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অসামান্য সাফল্য অর্জনকারী নারী হিসেবে নুরুন নাহার আক্তার এবং শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে সফলতার জন্য মোছা. ববিতা খাতুনকে এ সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। এ ছাড়া নিজ সন্তানদের যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার স্বীকৃতিস্বরূপ ‘সফল জননী’ ক্যাটাগরিতে নুরবানু কবীর এবং নির্যাতনের কালো অধ্যায় মুছে ফেলে জীবন সংগ্রামে জয়ী হওয়ার সাহসিকতার জন্য মোছা. শমলা বেগমকে পুরস্কৃত করা হচ্ছে। সমাজ উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখায় মোছা. আফরোজা ইয়াসমিনকেও শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

নারী দিবসের এ বিশেষ আয়োজনটি মূলত সেসব নারীকে শ্রদ্ধা জানানোর একটি প্রয়াস, যারা পাহাড়সম বাধা বিপত্তি পেরিয়েও নিজেদের লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন। বিশেষ করে খালেদা জিয়ার এ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যা তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের আত্মত্যাগকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সম্মানিত করল।

আগামীকাল এ অনুষ্ঠানটি দেশের নারী নেতৃত্বের এক মিলনমেলায় পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যেখানে বিজয়ী নারীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে অদম্য সাহসের স্মারক। এ উদ্যোগটি বর্তমান প্রজন্মের নারীদের জন্য প্রেরণার এক নতুন উৎস হয়ে থাকবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।