সৌদি আরব ইরানকে সতর্ক করে বলেছে, দেশটির ভূখণ্ড ও জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধ না করলে রিয়াদ পাল্টা ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হতে পারে। এমনকি প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীকে সৌদি ঘাঁটি ব্যবহার করে সামরিক অভিযান চালানোর অনুমতিও দেওয়া হতে পারে বলে রয়টার্সের সূত্র রবিবার (৮ মার্চ) জানিয়েছে।
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে ফোনালাপে রিয়াদের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের কূটনৈতিক সমাধানই সৌদি আরব চায় এবং উত্তেজনা কমাতে যেকোনো ধরনের মধ্যস্থতার জন্যও তারা প্রস্তুত।
সৌদি আরব আরও জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালানোর জন্য তারা বা অন্য কোনো উপসাগরীয় দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেয়নি।
তবে প্রিন্স ফয়সাল সতর্ক করে বলেন, যদি সৌদি ভূখণ্ড বা গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনায় ইরানের হামলা অব্যাহত থাকে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হতে পারে এবং সৌদি আরবও সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।
সূত্রগুলো আরও জানায়, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকেই সৌদি আরব তেহরানের সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখেছে।
সতর্কবার্তার পরও সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাতের মধ্যে তাদের আকাশসীমায় ঢুকে পড়া আটটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার ও বাহরাইনসহ কয়েকটি উপসাগরীয় দেশ ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে পড়েছে।
এর মধ্যে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান পার্শ্ববর্তী উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছে হামলার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন