যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির ফলে বড় রাজস্ব হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে পণ্য আমদানিতে সরকারি ব্যয় বাড়বে। তাই চুক্তিটি পুনর্মূল্যায়নের দাবি করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।
‘২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেট সুপারিশালা’ শীর্ষক এক গোল টেবিল বৈঠকে এই দাবি তোলে সেন্টার সিপিডি। মঙ্গলবার (১০মার্চ) রাজধানীর ধানমন্ডির কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
গত ৯ ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি (অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড) সই করে বাংলাদেশ। এই চুক্তি বিষয়ে সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এর ভেতর অনেক আর্থিক নেতিবাচক টুলস (ধারা) রয়েছে। বাণিজ্যকে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহারের প্রবণতা বেড়ে গেছে। তাই চুক্তিটি উন্মুক্ত করার দাবি জানান তিনি।
মুল প্রবন্ধে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রকে এক তরফাভাবে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দেওয়া হয়েছে। চুক্তির আওতায় আমেরিকা থেকে সাড়ে ৪ হাজার পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা দিতে হবে। আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে আরও ২ হাজার ২১০ প্রকারের পণ্যে শুল্কমুক্তি সুবিধা দেবে। ফলে চলতি অর্থবছরেই সরকার আমদানি শুল্ক বাবদ প্রায় ১ হাজার ৩২৭ কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, ওই চুক্তির আওতায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্দিষ্ট পণ্য ক্রয়ের শর্ত। ফলে সরকারের ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার ঝুকি রয়েছে। তাই দেশের স্বার্থে এই চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে বলে দাবি জানান তিনি।