ঢাবিতে তোফাজ্জল হত্যা

অভিযোগপত্র গ্রহণ ২২ জনকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন তোফাজ্জল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার মামলায় অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছে আদালত। এতে ২৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে ২২ জন পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করে গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এ আদেশ দেয়। এ মামলায় আসামিদের মধ্যে জালাল মিয়া, আল হোসেন সাজ্জাদ, মোত্তাকিন সাকিন শাহ ও সুমন মিয়া কারাগারে আছেন। আহসান উল্লাহ ও ওয়াজিবুল আলম জামিনে এবং অন্য ২২ জন পলাতক।

২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাবির ফজলুল হক মুসলিম হলের অতিথি কক্ষে ৩২ বছর বয়সী তোফাজ্জল হোসেন নির্যাতনের শিকার হন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, তোফাজ্জলকে মারধরের আগে তাকে ভাত খাওয়ানো হয়। রাত ১২টার দিকে কয়েকজন শিক্ষার্থী ওই যুবককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তোফাজ্জলকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ১৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। তদন্ত শেষে ঢাবির ২১ শিক্ষার্থীকে আসামি করে ওই বছরের ৩০ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। তবে, মামলার তদন্ত সুষ্ঠু হয়নি উল্লেখ করে ঢাবির প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগপত্রে নারাজি দাখিল করা হয়। গত বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার একটি আদালত এ মামলার তদন্ত করতে পিবিআইকে নির্দেশ দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ডিসেম্বরে অভিযোগপত্র দাখিল করে পিবিআই।