জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করেছে সন্ত্রাসীরা। পরে তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সদর উপজেলার ডিক্রিরচর ইউনিয়নের বেরিবাঁধ এলাকায়।
অভিযোগ ও ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীরের স্বজনেরা জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে পাঞ্জু মেম্বার, সজীব, সুজন গংদের সাথে বিরোধ চলছিল মো. বদর উদ্দিন বেপারীর। বিরোধের জেরে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি বদর উদ্দিন বেপারীর ছেলে ২নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বুধবার রাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় পাঞ্জু মেম্বারের নেতৃত্বে সজীব, তামীম, সোহানসহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জন লোহার রড, হাতুড়ি, রামদা, ছ্যান নিয়ে জাহাঙ্গীরের উপর হামলা চালায়। পরে হামলাকারীরা হাতুড়ি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটিয়ে জাহাঙ্গীরকে গুরুতর আহত করে রক্তাক্ত অবস্থায় জাহাঙ্গীরকে হামলাকারীরা ফেলে রেখে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় জাহাঙ্গীরকে উদ্ধার করে ফরিদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে জাহাঙ্গীর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় কোতোয়ালী থানায় একটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে বিএনপি নেতা বদর উদ্দিন বেপারী জানান, জমি নিয়ে পাঞ্জু মেম্বারের সাথে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে আমার ছেলের উপর হামলা চালানো হয়। এছাড়া আমার ছেলের কাছে থাকা রড, সিমেন্ট বিক্রির সাড়ে ৫ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
হামলার শিকার যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, রাতে বাড়ি ফেরার পথে পাঞ্জু মেম্বারের নেতৃত্বে আমার উপর হামলা হয়। হামলাকারীরা হাতুড়ি, লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে আমাকে মারাত্মক ভাবে আহত করে।
পাঞ্জু বেপারীর ভাই মো. হেলালুদ্দিন জানান, আমাদের জায়গা জোরপূর্বক দখলে নিতে গেলে তাদের বাঁধা প্রদান করা হয়। এ নিয়ে আমার ভাই পাঞ্জু বেপারীকে মারপিট করলে পরবর্তীতে এ মারামারি হয়। বর্তমানে আমার ভাইকে একটি ভর্তি কওে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।