রাজাকারের তালিকায় থাকা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার নাম বাদ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন সদ্য নিয়োগ পাওয়া মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আযম খান। বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে যুক্ত হওয়া ভয়া মুক্তিযোদ্ধাদের নামও তালিকা থেকে ফেলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। গতকাল শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন আহমেদ আযম। বিকেল সোয়া ৩টার দিকে কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, বিগত সাড়ে ১৫ বছরে অনেক ভুয়া ব্যক্তিকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেগুলো সংশোধনও করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সামনে যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে, তার মধ্যে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এছাড়া, রাজাকারের তালিকায় অনেক মুক্তিযোদ্ধা ঢুকে গেছেন। বিষয়টি আমরা চিহ্নিত করব। একই সঙ্গে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের প্রতিশ্রুতি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের যে যাত্রা প্রধানমন্ত্রী শুরু করেছেন, আমরা তার সহযাত্রী হিসেবে মন্ত্রণালয়গুলো সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে চাই।’ তিনি জানান, খালেদা জিয়ার চিন্তা-চেতনা এবং জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে সরকার কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীর যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখে দায়িত্ব দিয়েছেন, ত্যাগ ও নিষ্ঠা দিয়ে তার প্রতিফলন দেওয়ার চেষ্টা করব।
শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় উপস্থিত ছিলেন আইসিটিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামসহ টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর, বাসাইল, মধুপুর ও ধনবাড়ী এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।