মালদ্বীপে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে পাঁচ প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহতদের খোঁজ খবর নিতে হাসপাতালে গেছেন। এছাড়া তিনি ও নিহতদের বিষয়ে খোঁজ খবর নিতে গালুলু মর্গ পরিদর্শন করেছেন। গত বৃহস্পতিবার (১২মার্চ) রাতে রাজধানী মালে থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ডিগুরাহ দ্বীপে একটি গেস্ট হাউসে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় পাঁচ প্রবাসী বাংলাদেশি মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় আরও দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের পর গেস্ট হাউস থেকে মোট সাতজনকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন ওই পাঁচজনের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতরা হলেন-তাজ উদ্দিন ইসলাম, মো. সদর আলী, মো. রবিন মোল্লা, সফিকুল ইসলাম এবং মো. নূরনবী সরকার। আহত দুজন হলেনজামাল উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন। ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশন, মালে মালদ্বীপের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ ও সমন্বয় করে নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে হাইকমিশনার এবং দূতাবাসের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করা হয়েছে। তাদের সর্বাত্মক সহায়তা দেয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগিদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সঙ্গেও হাইকমিশন যোগাযোগ করেছে।
গুরুতর আহত দুই বাংলাদেশিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মালে শহরের হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পরপরই বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত অন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম মালে-র ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান। এ সময় তাদের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন। হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি গালুলু মর্গ পরিদর্শন করে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, নিহত মো. সদর আলী ও সফিকুল ইসলামের মরদেহ আগামীকাল বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বাংলাদেশ হাইকমিশন, মালে এই দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি আহত ব্যক্তিদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে।