খুলনায় পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা তিনটি ডিপো থেকে তেল উত্তোলন শুরু হয়েছে। রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুর বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সঙ্গে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিমের আলোচনা হওয়ার পর ব্যবসায়ীরা তেল উত্তোলন শুরু করে।
জ্বালানি ব্যবসায়ীরা জানায়, বিপিসি কর্তৃক নেওয়া সিদ্ধান্ত রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালনি তেল বিক্রয় প্রত্যাহারের আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী। আশ্বাসের প্রেক্ষিতে জ্বালানি ব্যবসায়ীরা তেল উত্তোলন বন্ধ রাখা কর্মসুচি স্থগিত করেছেন।
খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ পিন্টু বলেন, আশ্বাসের প্রেক্ষিতে আজ থেকে আগের মতো জ্বালানি তেল গ্রহনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সকল ব্যবসায়ীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
খুলনা বিভাগীয় জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শেখ মুরাদ হোসেন বলেন, ডিপো থেকে আগের তুলনায় সরবরাহ কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে । এসব কারণে দুপুর থেকে কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী তেল না দেওয়ায় ১৪ মার্চ শনিবার সকাল থেকে খুলনা বিভাগের ১০ ও বৃহত্তর ফরিদপুরের ৫ জেলায় জ্বালানি ব্যবসায়ীরা স্বেচ্ছায় তেল উত্তোলন ও বিপনন বন্ধ করে দেয়। সারাদিন পদ্মা মেঘনা ও যুমনা তেল ডিপোতে একটিও ট্যাংকলরি প্রবেশ করতে দেয়নি আন্দোলনকারীরা। তেল উত্তোলন বন্ধ রাখায় এদিন সন্ধ্যার পর থেকে খুলনার অধিকাংশ পেট্রোল পাম্প তেলশূন্য হয়ে পড়ে।