জাতীয় সংসদে স্থাপিত নতুন সাউন্ড সিস্টেম ঘিরে ব্যাপক অর্থ অপচয় ও লুটপাটের অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী।
রবিবার (১৫ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই অভিযোগ আনেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে হেডফোন দেখিয়ে শাহজাহান চৌধুরী বলেন, এখন এত বড় বোঝা। এটা মনে হয় একটা বাজেট করেছিল, আর ওখান থেকে লুটপাট বাহিনীরা একটা বিল করে খাওয়ার জন্য এ ব্যবস্থাটা করেছেন।
চট্টগ্রাম-১৪ আসনের এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, আমরা তো আরও দুইবার সংসদে এসেছি, আপনিও এসেছেন। কিন্তু এত বড় একটা বোঝা মাথার ওপর দিয়ে এক-দুই ঘণ্টা বসা সবার জন্য কষ্টকর। এত বড় বোঝার দরকার নেই। একটা সাধারণ হেডফোন দিলেই আমরা শুনতে পারি। অথবা হেডফোন ছাড়াই সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিক করলে আরও ভালো হয়।
এ বিষয়ে বিবেচনা করে দেখার আশ্বাস দেন স্পিকার।
প্রসঙ্গত, দেড় বছর পর নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে। ওইদিনই প্রথম সাউন্ড সিস্টেমে বিভ্রাট দেখা দেয়। মাইক্রোফোনে সমস্যা হওয়ায় কিছুক্ষণ হ্যান্ডমাইকে অধিবেশন পরিচালনা করেন স্পিকার। পরে প্রায় ২০ মিনিটের জন্য অধিবেশন মুলতবি করতে বাধ্য হন তিনি।
বিরতির পর অধিবেশন শুরু হলেও সংসদ কক্ষের সব মাইক্রোফোন স্বাভাবিক হয়নি বলে একাধিক সংসদ সদস্য অভিযোগ করেন।
একই দলের অপর সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম অধিবেশন শেষে ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, এই হেডফোনের মান এতটাই ভয়াবহ যে ব্যবহার করতে গিয়ে কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা ধরেছে। সাউন্ড কোয়ালিটি এমন নিম্নমানের, সংসদের পুরোনো ডিভাইস এর চেয়ে পরিষ্কার অডিও দিত নিশ্চয়ই।