মফস্বলের মায়াময় এক মেয়ে পুতুল। মানসিক প্রতিবন্ধী। পুতুলের বাবা আজগর আলি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মচারী। মেয়েকে ডাক্তার দেখিয়েও তেমন কোনো ফলাফল হয়নি। নিজেই আগলে রাখেন পুতুলকে। মাথায় তেল দেওয়া থেকে শুরু তুলে খাওয়ানো সব করে নিজ হাতে। কখনো পুতুলের পাগলামি বেড়ে গেলে শিকলে বন্দি করে আজগর আলি কাজে যায়। তখন পুতুল একা ঘরে বন্দি থাকে! সে সময় পুতুলের সঙ্গী হয় প্রতিবেশি সুদর্শন যুবক সবুজ। পুতুলের জানালায় দাঁড়িয়ে সবুজ তাকে রঙ্গিন জীবনের গল্প শোনায়। পুতুলের হয়তো তার সঙ্গে ডানা মেলে উড়তে ইচ্ছে করে। কিন্তু সবুজ তো ভালোবাসে শিউলি নামের এক মেয়েকে। ক’দিন পরেই তাদের বিয়ে। পুতুলের মতো মেয়ের ভালোবাসার আহ্বান হেসে উড়িয়ে দেয় সবুজ। মাঝেমধ্যে সবুজ পুতুলকে নিয়ে ঘুরতে বের হয় গ্রামের খোলা মাঠে। তবে সবুজের সঙ্গে পুতুলের এমন মেলামেশা ভালো চোখে দেখে না এলাকার লোকজন। বিরক্ত হয় শিউলি। সে সবুজের কাছ থেকে পুতুলকে দূরে সরিয়ে দেয়। হতবাক হয় পুতুল। নিজের জন্ম নিয়ে নিজের উপরই করুণা হয় তার। সবুজের বিয়ের দিন ঘনিয়ে আসে। পরের রাতেই নিখোঁজ হয় পুতুল। সবুজ তাকে হন্যে হয়ে খোঁজে। কিন্তু পুতুল নেই কোথাও। পুতুলের জন্য সবুজের এমন উম্মাদনা শিউলি মানতে পারে না। ভেঙে যায় সবুজ-শিউলির বিয়ে। সবুজ আজগর আলীকে জানায় সে পুতুলকে বিয়ে করবে। অবাক হয় আজগর আলি। সত্যিই সবুজ বিয়ে করবে পুতুলকে! বিয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয় কিন্তু পুতুল কোথায়? এ রকম এক গল্প নিয়ে নির্মিত নাটক ‘পুতুলের বিয়ে’ প্রচারিত হবে ঈদের সপ্তম দিন রাত ৮টায় মাছরাঙা টিভিতে। আহমেদ তাওকীরের রচনা ও রাফাত মজুমদার রিংকুর পরিচালনায় নাটকটিতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তানজিন তিশা। বিপরীতে রয়েছেন মীর সাব্বির।